,

বরগুনায় ভিডব্লিউবি উপকারভোগী নির্বাচনে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরগুনা:
বরগুনা সদর উপজেলার ৯ নং এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এমদাদুল হক মিলনের বিরুদ্ধে ভিডব্লিউবি উপকারভোগী নির্বাচনে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

১১ সেপ্টেম্বর বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন একজন ভুক্তভোগী।

অভিযোগে তিনি বলেন,আমি মোঃ সবুজ খান, পিতা- আঃ সত্তার খান, বরগুনা সদর উপজেলাধীন ৯নং এম, বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা। বিগত দিনে উক্ত ভিডব্লিউবি কার্যক্রমে বিভিন্ন রকম অনিয়ম, দুর্নীতি হয়ে আসছে। উক্ত ভিডব্লিউবি কর্মসূচীতে উপকারভোগী মহিলা নির্বাচনের তালিকা করার সময় আমাদেরকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে এবং অর্থের বিনিময়ে নাম নেওয়ার কথা বলিলে আমরা তাহা অস্বীকার করি। কিন্তু আমি খুবই গরীব ও অসহায় পরিবারের লোক হওয়ায় অত্র ০৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এমদাদুল হক মিলন তিনি ৬,০০০ টাকার বিনিময়ে ভিডব্লিউবি তালিকায় আমার স্ত্রীর নাম দিয়ে দেয়ার প্রস্তাব দিলে আমি তাকে ৩,০০০ টাকা দেই। বাকী ৩,০০০ টাকা নাম পাশ হওয়ার পরে দেয়ার কথা থাকলেও তিনি নাম পাশ হওয়ার আগেই বাকী ৩,০০০ টাকা আমার কাছে চাইতে থাকেন। আমি টাকা না দেয়ায় আমার নাম পাশ করিয়ে দিবেন না বলে হুমকী দেন। পরবর্তীতে গত ০৮/০৯/২০২৫ খ্রি. তারিখ আমরা ভিডব্লিউবি চক্র ২০২৫-২০২৬ এর চূড়ান্ত তালিকা হাতে পাই। তাহাতে আমাদের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা না হয়েও উক্ত তালিকায় অনেকের নাম রয়েছে। যারা উক্ত কার্যক্রমের আওতাধীন নয় তারাও বিভিন্নভাবে উক্ত তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। আমার নাম পাশ না হলে আমি টাকা ফেরত চাই কিন্তু তিনি আমার টাকা ফেরত দেন নাই। আমি অনেকের কাছ থেকে জানতে পারি যে, তিনি আরো কয়েকজনের কাছ থেকে এরকম ৬,০০০ টাকা নিয়ে ভিডব্লিউবি তালিকায় নাম পাশ করিয়ে দিয়েছে।

৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইমদাদুল হক মিলনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কারো কাছ থেকে টাকা নেইনি। যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে তাহলে যে শাস্তি হয় আমি তা মাথা পেতে নেব। ওয়ার্ডের বাইরের লোক তালিকা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন? যারা আমার ভোটার নয় তাদের নাম কেন দেব? বাইরের কোন লোক আমার ওয়ার্ডের তালিকায় নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *