ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে কালচারাল কর্মকর্তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ

টাঙ্গাইল জেলা কালচারাল কর্মকর্তা খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারনা করছে পুলিশ।

শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে সাড়ে তিনটার দিকে মির্জাপুর কুমুদিনি হাসপাতালের একটি ভিআইপি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি মির্জাপুর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার দীপংকর ঘোষ নিশ্চিত করেছেন।

দীপংকর ঘোষ জানান, কালচারাল কর্মকর্তা রেদওয়ানা প্রসব ব্যাথা নিয়ে গত ২২ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিনই তিনি একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেন। এরপর থেকে কন্যা সন্তানটি আইসিওতে (নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে) রাখা হয়। গত চারদিন আগে রেদওয়ানা ইসলামকে চিকিৎসকরা ছুটি দিয়ে দেন। কিন্তু জন্ম নেয়া মেয়ে হাসপাতালে থাকার কারনে রেদওয়ানা হাসপাতালেই একটি কক্ষ নিয়ে থেকে যান। শনিবার (২৭ মার্চ) সকালে তার স্বামী মিজান আসেন হাসপাতালে রেদওয়ানার সাথে দেখা করতে। বিকেলে হাসপাতালের নার্স অনুরাধা রেদওয়ানার কক্ষ বাইরে থেকে লক (তালা) দেখতে পেয়ে কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কক্ষের ডুব্লিকেট চাবি দিয়ে তালা খুলে ভেতরে রেদওয়ানার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়া হয়। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে তাকে তার স্বামী শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আসছেন। তিনি এলে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

অনলাইন ডেস্ক

জনপ্রিয়

টাঙ্গাইলে কালচারাল কর্মকর্তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত: ০১:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মার্চ ২০২১

টাঙ্গাইল জেলা কালচারাল কর্মকর্তা খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারনা করছে পুলিশ।

শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে সাড়ে তিনটার দিকে মির্জাপুর কুমুদিনি হাসপাতালের একটি ভিআইপি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি মির্জাপুর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার দীপংকর ঘোষ নিশ্চিত করেছেন।

দীপংকর ঘোষ জানান, কালচারাল কর্মকর্তা রেদওয়ানা প্রসব ব্যাথা নিয়ে গত ২২ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিনই তিনি একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেন। এরপর থেকে কন্যা সন্তানটি আইসিওতে (নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে) রাখা হয়। গত চারদিন আগে রেদওয়ানা ইসলামকে চিকিৎসকরা ছুটি দিয়ে দেন। কিন্তু জন্ম নেয়া মেয়ে হাসপাতালে থাকার কারনে রেদওয়ানা হাসপাতালেই একটি কক্ষ নিয়ে থেকে যান। শনিবার (২৭ মার্চ) সকালে তার স্বামী মিজান আসেন হাসপাতালে রেদওয়ানার সাথে দেখা করতে। বিকেলে হাসপাতালের নার্স অনুরাধা রেদওয়ানার কক্ষ বাইরে থেকে লক (তালা) দেখতে পেয়ে কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কক্ষের ডুব্লিকেট চাবি দিয়ে তালা খুলে ভেতরে রেদওয়ানার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়া হয়। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে তাকে তার স্বামী শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আসছেন। তিনি এলে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে।