ঢাকা ০২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রানের পাহাড় টপকে বাংলাদেশের সিরিজ জয়

  • Golam Faruk
  • প্রকাশিত: ০৮:১৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১
  • 42

জিম্বাবুয়ের রানের পাহাড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশের। ১৯৪ রানের লক্ষ্য বাংলাদেশ টপকে গেছে ৫ উইকেট হাতে রেখেই। তিন ম্যাচ সিরিজ বাংলাদেশ জিতে নিল ২-১ ব্যবধানে। শেষ দিকের ঝড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌছে দেন শামীম হোসেন। তিনি অপরাজিত ছিলেন ১৫ বলে ৩১ করে। মাহমুদউল্লাহ দলকে দিয়ে যান ২৮ ৩৪ রানের ইনিংস।

অফস্টাম্পের দিকে সরে গিয়ে খেলতে গিয়ে মিস করেছেন আফিফ, হয়েছেন বোল্ড। জিম্বাবুয়েকে বেশ পেছনে ফেলার ইঙ্গিত দিচ্ছিল বাংলাদেশ, সৌম্য সরকার ফিরলেন তখনই। লুক জঙ্গুয়ের ফুললেংথের বলটা আড়াআড়ি তুলে মারতে গিয়েছিলেন সৌম্য, তবে লাগেনি ঠিকঠাক। লং-অফে ধরা পড়েছেন ৪৯ বলে ৬৮ রান করে। মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে তাঁরজুটিতে উঠেছে ৩৫ বলে ৬৩ রান।

এর আগে মারুমানি, মাধেবেরে, চাকাভার পর শেষ দিকে বার্লের টর্নেডোতে ভর করে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৩ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। শেষ দিকে বার্লের তিন চার ও দুই ছক্কায় ১৫ বলে ৩১ রানের ইনিংস সিকান্দার রাজাদের সংগ্রহ নিয়ে যায় দুইশর কাছে।

ফিফটির পর বেশি দূর এগোতে পারলেন না ওয়েসলি মাধেভেরে। তার উইকেটটি তুলে নেন সাকিব। এক প্রান্তে সঙ্গীদের হারালেও অবিচল ছিলেন ওয়েসলি মাধেভেরে। সৌম্যর বলে বাউন্ডারিতে ফিফটিতে পা রাখলেন স্রেফ ৩১ বলেই।

টি-টোয়েন্টিতে তার চতুর্থ ও টানা দ্বিতীয় ফিফটি এটি। আগের ম্যাচে তিনি খেলেছিলেন ৭৩ রানের ইনিংস। চাকাভাকে ফেরানোর পর ওই ওভারেই বাংলাদেশকে আরেকটি উইকেট এনে দিলেন সৌম্য সরকার। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা বোল্ড শূন্য রানেই। ৬ ছক্কায় চাকাভা করেন ২২ বলে ৪৮ রান।

মারুমানি আউট হলেও জিম্বাবুয়ে ৯.৩ ওভারেই ছুঁয়ে ফেলে ১০০ রান। পাওয়ার প্লে শেষ বলে বাংলাদেশকে স্বস্তি দিয়ে প্রথম উইকেট এনে দেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। বাজে শটে বোল্ড হয়ে ফিরলেন টাডিওয়ানাশে মারুমানি। ২০ বলে ২৭ রানে ফিরলেন মারুমানি।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

Golam Faruk

জনপ্রিয়

রানের পাহাড় টপকে বাংলাদেশের সিরিজ জয়

প্রকাশিত: ০৮:১৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১

জিম্বাবুয়ের রানের পাহাড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশের। ১৯৪ রানের লক্ষ্য বাংলাদেশ টপকে গেছে ৫ উইকেট হাতে রেখেই। তিন ম্যাচ সিরিজ বাংলাদেশ জিতে নিল ২-১ ব্যবধানে। শেষ দিকের ঝড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌছে দেন শামীম হোসেন। তিনি অপরাজিত ছিলেন ১৫ বলে ৩১ করে। মাহমুদউল্লাহ দলকে দিয়ে যান ২৮ ৩৪ রানের ইনিংস।

অফস্টাম্পের দিকে সরে গিয়ে খেলতে গিয়ে মিস করেছেন আফিফ, হয়েছেন বোল্ড। জিম্বাবুয়েকে বেশ পেছনে ফেলার ইঙ্গিত দিচ্ছিল বাংলাদেশ, সৌম্য সরকার ফিরলেন তখনই। লুক জঙ্গুয়ের ফুললেংথের বলটা আড়াআড়ি তুলে মারতে গিয়েছিলেন সৌম্য, তবে লাগেনি ঠিকঠাক। লং-অফে ধরা পড়েছেন ৪৯ বলে ৬৮ রান করে। মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে তাঁরজুটিতে উঠেছে ৩৫ বলে ৬৩ রান।

এর আগে মারুমানি, মাধেবেরে, চাকাভার পর শেষ দিকে বার্লের টর্নেডোতে ভর করে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৩ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। শেষ দিকে বার্লের তিন চার ও দুই ছক্কায় ১৫ বলে ৩১ রানের ইনিংস সিকান্দার রাজাদের সংগ্রহ নিয়ে যায় দুইশর কাছে।

ফিফটির পর বেশি দূর এগোতে পারলেন না ওয়েসলি মাধেভেরে। তার উইকেটটি তুলে নেন সাকিব। এক প্রান্তে সঙ্গীদের হারালেও অবিচল ছিলেন ওয়েসলি মাধেভেরে। সৌম্যর বলে বাউন্ডারিতে ফিফটিতে পা রাখলেন স্রেফ ৩১ বলেই।

টি-টোয়েন্টিতে তার চতুর্থ ও টানা দ্বিতীয় ফিফটি এটি। আগের ম্যাচে তিনি খেলেছিলেন ৭৩ রানের ইনিংস। চাকাভাকে ফেরানোর পর ওই ওভারেই বাংলাদেশকে আরেকটি উইকেট এনে দিলেন সৌম্য সরকার। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা বোল্ড শূন্য রানেই। ৬ ছক্কায় চাকাভা করেন ২২ বলে ৪৮ রান।

মারুমানি আউট হলেও জিম্বাবুয়ে ৯.৩ ওভারেই ছুঁয়ে ফেলে ১০০ রান। পাওয়ার প্লে শেষ বলে বাংলাদেশকে স্বস্তি দিয়ে প্রথম উইকেট এনে দেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। বাজে শটে বোল্ড হয়ে ফিরলেন টাডিওয়ানাশে মারুমানি। ২০ বলে ২৭ রানে ফিরলেন মারুমানি।