ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ট্রেন চলাচল নিয়ে রেলওয়ের বিশেষ ঘোষণা

  • Golam Faruk
  • প্রকাশিত: ১০:৪৬:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১
  • 41

মহামারি আকার ধারণ করা করোনার সংক্রমণ রোধে ২৩ জুলাই সকাল থেকে দেশে চলছে ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ। চলবে আগামী ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত। এ বিধিনিষেধে সরকারি, বেসরকারি অফিস, শিল্প কারখানা, পোশাক শিল্পসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। মানুষের চলাচলে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

তবে এরই মধ্যে ট্রেন চলাচল নিয়ে বিশেষ ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ রেলওয়ের ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত লকডাউন। এরপর লকডাউন না বাড়ানো হলে চলবে গণপরিবহন। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে সর্বাত্মক প্রস্তুত রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চালানোর বিষয়ে।

এবারের এই বিধিনিষেধ আগের সব বিধিনিষেধের চেয়ে কঠোর হচ্ছে। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিনা প্রয়োজনে বাসা থেকে বের হওয়ায় প্রতিদিনই গ্রেপ্তার ও জরিমানার মুখোমুখি হচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। ইতোমধ্যে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। এমতাবস্থায় আগামী ৫ আগস্টের পর বিধিনিষেধ বাড়বে নাকি তুলে নেওয়া হবে তা নিয়ে মানুষের মনে নানা প্রশ্ন।

প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১ থেকে ৭ জুলাই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। পরে তা বাড়িয়ে ১৪ জুলাই করা হয়। ঈদুল আজহার কারণে ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। পরে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ‘কঠোরতম বিধিনিষেধ’ জারি করে সরকার।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের লকডাউনের বিধিনিষেধ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন গত ১৩ জুলাই জারি করে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো।

কঠোর বিধিনিষেধের শর্তগুলো হলো- সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) এবং সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। শপিংমল, মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে। সব পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। সব প্রকার শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

Golam Faruk

জনপ্রিয়

ট্রেন চলাচল নিয়ে রেলওয়ের বিশেষ ঘোষণা

প্রকাশিত: ১০:৪৬:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১

মহামারি আকার ধারণ করা করোনার সংক্রমণ রোধে ২৩ জুলাই সকাল থেকে দেশে চলছে ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ। চলবে আগামী ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত। এ বিধিনিষেধে সরকারি, বেসরকারি অফিস, শিল্প কারখানা, পোশাক শিল্পসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। মানুষের চলাচলে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

তবে এরই মধ্যে ট্রেন চলাচল নিয়ে বিশেষ ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ রেলওয়ের ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত লকডাউন। এরপর লকডাউন না বাড়ানো হলে চলবে গণপরিবহন। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে সর্বাত্মক প্রস্তুত রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চালানোর বিষয়ে।

এবারের এই বিধিনিষেধ আগের সব বিধিনিষেধের চেয়ে কঠোর হচ্ছে। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিনা প্রয়োজনে বাসা থেকে বের হওয়ায় প্রতিদিনই গ্রেপ্তার ও জরিমানার মুখোমুখি হচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। ইতোমধ্যে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। এমতাবস্থায় আগামী ৫ আগস্টের পর বিধিনিষেধ বাড়বে নাকি তুলে নেওয়া হবে তা নিয়ে মানুষের মনে নানা প্রশ্ন।

প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১ থেকে ৭ জুলাই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। পরে তা বাড়িয়ে ১৪ জুলাই করা হয়। ঈদুল আজহার কারণে ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। পরে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ‘কঠোরতম বিধিনিষেধ’ জারি করে সরকার।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের লকডাউনের বিধিনিষেধ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন গত ১৩ জুলাই জারি করে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো।

কঠোর বিধিনিষেধের শর্তগুলো হলো- সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) এবং সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। শপিংমল, মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে। সব পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। সব প্রকার শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।