ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চরম ভোগান্তিতে অফিসগামী সাধারণ মানুষ

  • Golam Faruk
  • প্রকাশিত: ০৩:১৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অগাস্ট ২০২১
  • 43

লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ রেখে দেশের রপ্তানিমুখী সকল শিল্প-কারখানা খোলা থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ। বুধবার (৪ আগষ্ট) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আফিসগামী মানুষের ভোগান্তির এ চিত্র দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তায় যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছেন অফিসগামী যাত্রীরা। কিন্তু কোনো ধরনের গণপরিবহন না থাকায় তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তাই বাধ্য হয়েই অনেকে বেশি ভাড়ায় রিকশা, ভ্যান, ভাড়ায় বাইক বা পায়ে হেঁটেই গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।

যখনই কোন সিএনজি, পিকাপ আসতে দেখা যায় তখনই অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে পরছে তাদের গন্তব্যে যেতে। এসময় দেখা যায় দাপট রয়েছে রিক্সার। ভ্যানও কম নয়। মো. ইউনুস যাবেন ঢাকা মেডিকেল কলেজে। তিনি বলেন, লকডাউন শুধু আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য। যাদের গাড়ি আছে তারা তো ঠিকই চলতে পারতেছে। শুধু সমস্যা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন মো সজল। তিনি বলেন লকডাউনের মধ্যে কারখানা খুলে দিলেও গণপরিবহন বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা দীর্ঘ একটি অপেক্ষা করেও গাড়ি পাইনা। ভেঙ্গে ভেঙ্গে যেতে হয় গন্তব্যে। গুনতে অতিরিক্ত ভাড়া। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, অফিস খোলা রাখা হয়েছে। রাস্তায় যানবাহন নেই। আমার অফিস শান্তিনগর এখন কীভাবে যাবো বুঝতে পারছি না।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

Golam Faruk

জনপ্রিয়

চরম ভোগান্তিতে অফিসগামী সাধারণ মানুষ

প্রকাশিত: ০৩:১৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অগাস্ট ২০২১

লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ রেখে দেশের রপ্তানিমুখী সকল শিল্প-কারখানা খোলা থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ। বুধবার (৪ আগষ্ট) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আফিসগামী মানুষের ভোগান্তির এ চিত্র দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তায় যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছেন অফিসগামী যাত্রীরা। কিন্তু কোনো ধরনের গণপরিবহন না থাকায় তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তাই বাধ্য হয়েই অনেকে বেশি ভাড়ায় রিকশা, ভ্যান, ভাড়ায় বাইক বা পায়ে হেঁটেই গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।

যখনই কোন সিএনজি, পিকাপ আসতে দেখা যায় তখনই অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে পরছে তাদের গন্তব্যে যেতে। এসময় দেখা যায় দাপট রয়েছে রিক্সার। ভ্যানও কম নয়। মো. ইউনুস যাবেন ঢাকা মেডিকেল কলেজে। তিনি বলেন, লকডাউন শুধু আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য। যাদের গাড়ি আছে তারা তো ঠিকই চলতে পারতেছে। শুধু সমস্যা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন মো সজল। তিনি বলেন লকডাউনের মধ্যে কারখানা খুলে দিলেও গণপরিবহন বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা দীর্ঘ একটি অপেক্ষা করেও গাড়ি পাইনা। ভেঙ্গে ভেঙ্গে যেতে হয় গন্তব্যে। গুনতে অতিরিক্ত ভাড়া। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, অফিস খোলা রাখা হয়েছে। রাস্তায় যানবাহন নেই। আমার অফিস শান্তিনগর এখন কীভাবে যাবো বুঝতে পারছি না।