ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিধিনিষেধ শিথিল, রাস্তায় যানবাহন

  • Golam Faruk
  • প্রকাশিত: ০৯:১৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ অগাস্ট ২০২১
  • 31

টানা ১৯ দিন পর শিথিল হলো বিধিনিষেধ। রাস্তায় গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়েছে। এছাড়া আজ (১১ আগস্ট) সকাল থেকে চালু হয়েছে সরকারি-বেসরকারি অফিসসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এর আগে গত রোববার মন্ত্রিপরিষদের উপ সচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিধিনিষেধ শিথিল করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

রাজধানীতে সকাল থেকেই যাত্রিবাহী গাড়ি চলতে দেখা যায়৷ চলছে ছোট ছোট গণপরিবহন সমূহ। তবে এখনও গণপরিবহনে ভির পরিলক্ষিত হয়নি। ধারনা করা হচ্ছে বেলা বারার সাথে সাথে মানুষের চাপ বারবে।

যেখানে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস আদালত খোলার পাশাপাশি সব আসনে যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়। এছাড়া, শপিংমল, মার্কেট ও হোটেল-রেস্তোরাঁ খোলা রাখার ব্যাপারেও বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত কোভিড-১৯ সংক্রমণের পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিধি-নিষেধের অনুবৃত্তিক্রমে কিছু শর্ত সংযুক্ত করে সার্বিক কার্যাবলী/চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হলো।
শর্তগুলো হলো-
# সকল সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক খোলা থাকবে।

# বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

# সড়ক, রেল ও নৌ-পথে আসন সংখ্যার সমপরিমাণ যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন/যানবাহন চলাচল করতে পারবে। সড়ক পথে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন (সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক) নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সংশ্লিষ্ট দপ্তর/সংস্থা, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিদিন মোট পরিবহন সংখ্যার অর্ধেক চালু করতে পারবে।

# শপিংমল/মার্কেট/দোকানপাট সমূহ সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক খোলা রাখা যাবে।

# সকল প্রকার শিল্প-কলকারখানা চালু থাকবে।

# খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁয় অর্ধেক আসন খালি রেখে সকাল ০৮.০০টা থেকে রাত ১০.০০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

# সকল ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

# গণপরিবহন, বিভিন্ন দপ্তর, মার্কেট ও বাজারসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে অবহেলা পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব বহন করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে, ঈদুল আজহার পর ঈদের তৃতীয় দিন (২৩ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। লকডাউন ঘোষণার সময় সবকিছু বন্ধ থাকবে বলে জানানো হলেও পহেলা আগস্ট থেকে রফতানিমুখী সকল শিল্পকারখানা খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পরবর্তীতে এই লকডাউন আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। যা শেষ হচ্ছে আজ।

তবে, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় আবারও কঠোর বিধিনিষেধ দেয়া হবে। বিধিনিষেধের ফলে সব কিছু স্তব্ধ হলে কিছু কিছু মানুষ রাস্তায় পড়ে যাবে। এ কারণে পর্যায়ক্রমে বিধিনিষেধ শিথিল করা হচ্ছে।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

Golam Faruk

জনপ্রিয়

বিধিনিষেধ শিথিল, রাস্তায় যানবাহন

প্রকাশিত: ০৯:১৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ অগাস্ট ২০২১

টানা ১৯ দিন পর শিথিল হলো বিধিনিষেধ। রাস্তায় গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়েছে। এছাড়া আজ (১১ আগস্ট) সকাল থেকে চালু হয়েছে সরকারি-বেসরকারি অফিসসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এর আগে গত রোববার মন্ত্রিপরিষদের উপ সচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিধিনিষেধ শিথিল করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

রাজধানীতে সকাল থেকেই যাত্রিবাহী গাড়ি চলতে দেখা যায়৷ চলছে ছোট ছোট গণপরিবহন সমূহ। তবে এখনও গণপরিবহনে ভির পরিলক্ষিত হয়নি। ধারনা করা হচ্ছে বেলা বারার সাথে সাথে মানুষের চাপ বারবে।

যেখানে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস আদালত খোলার পাশাপাশি সব আসনে যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়। এছাড়া, শপিংমল, মার্কেট ও হোটেল-রেস্তোরাঁ খোলা রাখার ব্যাপারেও বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত কোভিড-১৯ সংক্রমণের পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিধি-নিষেধের অনুবৃত্তিক্রমে কিছু শর্ত সংযুক্ত করে সার্বিক কার্যাবলী/চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হলো।
শর্তগুলো হলো-
# সকল সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক খোলা থাকবে।

# বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

# সড়ক, রেল ও নৌ-পথে আসন সংখ্যার সমপরিমাণ যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন/যানবাহন চলাচল করতে পারবে। সড়ক পথে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন (সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক) নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সংশ্লিষ্ট দপ্তর/সংস্থা, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিদিন মোট পরিবহন সংখ্যার অর্ধেক চালু করতে পারবে।

# শপিংমল/মার্কেট/দোকানপাট সমূহ সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক খোলা রাখা যাবে।

# সকল প্রকার শিল্প-কলকারখানা চালু থাকবে।

# খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁয় অর্ধেক আসন খালি রেখে সকাল ০৮.০০টা থেকে রাত ১০.০০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

# সকল ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

# গণপরিবহন, বিভিন্ন দপ্তর, মার্কেট ও বাজারসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে অবহেলা পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব বহন করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে, ঈদুল আজহার পর ঈদের তৃতীয় দিন (২৩ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। লকডাউন ঘোষণার সময় সবকিছু বন্ধ থাকবে বলে জানানো হলেও পহেলা আগস্ট থেকে রফতানিমুখী সকল শিল্পকারখানা খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পরবর্তীতে এই লকডাউন আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। যা শেষ হচ্ছে আজ।

তবে, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় আবারও কঠোর বিধিনিষেধ দেয়া হবে। বিধিনিষেধের ফলে সব কিছু স্তব্ধ হলে কিছু কিছু মানুষ রাস্তায় পড়ে যাবে। এ কারণে পর্যায়ক্রমে বিধিনিষেধ শিথিল করা হচ্ছে।