ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খুলে গেল পর্যটনকেন্দ্র, চলছে শতভাগ গণপরিবহন

  • Golam Faruk
  • প্রকাশিত: ০৯:৪১:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২১
  • 25

করোনা মহামারির প্রকোপ রোধে দেশজুড়ে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) থেকে খুলছে দেশের সব পর্যটনকেন্দ্র। সাথে দেশজুড়ে চলতে শুরু করেছে শতভাগ গণপরিবহন। এর আগে গত ১১ আগস্ট থেকে শতভাগ যাত্রী নিয়ে অর্ধেক গণপরিবহন চলাচল শুরু করেছিল। এদিকে, হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, সরকারি-বেসরকারি পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে জড়িত মানুষদের মধ্যে ফিরতে শুরু করেছে চাঞ্চল্য। তবে পর্যটকসহ সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে এবং মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। অপরদিকে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সড়কে শতভাগ গণপরিবহন চলাচলের বিষয়ে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর সারা দেশ থেকে পর্যটকরা হোটেল-মোটেলে আগাম বুকিং দিচ্ছেন। তাদের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। পর্যটনকেন্দ্র খোলার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীরা। তবে মাস্ক পরিধান ছাড়া পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না এবং পর্যটকদের অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আজ থেকে আবার পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হবে পাহাড়। বান্দরবান জেলার নীলগিরি, নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক, স্বর্ণমন্দির, রামজাদীসহ পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল নামবে। ইতিমধ্যে জেলার হোটেল-মোটেলসহ পর্যটনকেন্দ্রের আশপাশের রেস্টুরেন্ট, বিপণিবিতানগুলো খোলার প্রস্তুতি নিয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রে পরিচ্ছন্নতা শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। পর্যটন কেন্দ্রসমূহের প্রবেশ মুখে থাকবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। সাবান দিয়ে পর্যটকদের হাত জীবাণুমুক্ত করতে হবে। অসুস্থ অবস্থায় পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ করা যাবে না। দীর্ঘদিন পর বিনোদনকেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ায় করোনার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পর্যটকদের বরণে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে রাঙামাটির হোটেল-মোটেলগুলো। পর্যটকদের আগমন ঘিরে নিরাপদ ভ্রমণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন পর্যটন ব্যবসা সংশ্লিষ্টরাও। যান্ত্রিক জীবনের একটু ক্লান্তি দূর করতে বিনোদনের খোঁজে মানুষ ছুটে আসছেন পাহাড় ও হ্রদঘেরা মনোরম প্রাকৃতিক লীলাভূমি রাঙামাটিতে। কিন্তু টানা দীর্ঘদিন পর্যটকশূন্য থাকায় মারাত্মক মন্দা দেখা দেয় পর্যটন ব্যবসায়।

গণপরিবহনের ক্ষেত্রে, বিআরটিএ’র পরিচালক (প্রকৌশল) শীতাংশু শেখর বিশ্বাসের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে- আসন সংখ্যার অতিরিক্ত কোনো যাত্রী পরিবহন করা যাবে না এবং দাঁড়িয়ে কোনো যাত্রী বহন করা যাবে না। আগের ভাড়ায় (৬০ শতাংশ বর্ধিত ভাড়া প্রযোজ্য হবে না) গণপরিবহন চলবে।

গণপরিবহনের যাত্রী, চালক, সুপারভাইজার/কন্ডাক্টর, হেলপার-কাম ক্লিনার এবং টিকিট বিক্রয়কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা মাস্ক পরিধান/ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে৷ যাত্রার শুরু ও শেষে যানবাহন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নসহ জীবাণুনাশক দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। এছাড়াও গাড়ির মালিকের পক্ষ থেকে যাত্রীদের হাতব্যাগ, মালপত্র জীবাণুনাশক ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

Golam Faruk

জনপ্রিয়

খুলে গেল পর্যটনকেন্দ্র, চলছে শতভাগ গণপরিবহন

প্রকাশিত: ০৯:৪১:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২১

করোনা মহামারির প্রকোপ রোধে দেশজুড়ে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) থেকে খুলছে দেশের সব পর্যটনকেন্দ্র। সাথে দেশজুড়ে চলতে শুরু করেছে শতভাগ গণপরিবহন। এর আগে গত ১১ আগস্ট থেকে শতভাগ যাত্রী নিয়ে অর্ধেক গণপরিবহন চলাচল শুরু করেছিল। এদিকে, হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, সরকারি-বেসরকারি পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে জড়িত মানুষদের মধ্যে ফিরতে শুরু করেছে চাঞ্চল্য। তবে পর্যটকসহ সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে এবং মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। অপরদিকে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সড়কে শতভাগ গণপরিবহন চলাচলের বিষয়ে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর সারা দেশ থেকে পর্যটকরা হোটেল-মোটেলে আগাম বুকিং দিচ্ছেন। তাদের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। পর্যটনকেন্দ্র খোলার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীরা। তবে মাস্ক পরিধান ছাড়া পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না এবং পর্যটকদের অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আজ থেকে আবার পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হবে পাহাড়। বান্দরবান জেলার নীলগিরি, নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক, স্বর্ণমন্দির, রামজাদীসহ পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল নামবে। ইতিমধ্যে জেলার হোটেল-মোটেলসহ পর্যটনকেন্দ্রের আশপাশের রেস্টুরেন্ট, বিপণিবিতানগুলো খোলার প্রস্তুতি নিয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রে পরিচ্ছন্নতা শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। পর্যটন কেন্দ্রসমূহের প্রবেশ মুখে থাকবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। সাবান দিয়ে পর্যটকদের হাত জীবাণুমুক্ত করতে হবে। অসুস্থ অবস্থায় পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ করা যাবে না। দীর্ঘদিন পর বিনোদনকেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ায় করোনার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পর্যটকদের বরণে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে রাঙামাটির হোটেল-মোটেলগুলো। পর্যটকদের আগমন ঘিরে নিরাপদ ভ্রমণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন পর্যটন ব্যবসা সংশ্লিষ্টরাও। যান্ত্রিক জীবনের একটু ক্লান্তি দূর করতে বিনোদনের খোঁজে মানুষ ছুটে আসছেন পাহাড় ও হ্রদঘেরা মনোরম প্রাকৃতিক লীলাভূমি রাঙামাটিতে। কিন্তু টানা দীর্ঘদিন পর্যটকশূন্য থাকায় মারাত্মক মন্দা দেখা দেয় পর্যটন ব্যবসায়।

গণপরিবহনের ক্ষেত্রে, বিআরটিএ’র পরিচালক (প্রকৌশল) শীতাংশু শেখর বিশ্বাসের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে- আসন সংখ্যার অতিরিক্ত কোনো যাত্রী পরিবহন করা যাবে না এবং দাঁড়িয়ে কোনো যাত্রী বহন করা যাবে না। আগের ভাড়ায় (৬০ শতাংশ বর্ধিত ভাড়া প্রযোজ্য হবে না) গণপরিবহন চলবে।

গণপরিবহনের যাত্রী, চালক, সুপারভাইজার/কন্ডাক্টর, হেলপার-কাম ক্লিনার এবং টিকিট বিক্রয়কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা মাস্ক পরিধান/ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে৷ যাত্রার শুরু ও শেষে যানবাহন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নসহ জীবাণুনাশক দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। এছাড়াও গাড়ির মালিকের পক্ষ থেকে যাত্রীদের হাতব্যাগ, মালপত্র জীবাণুনাশক ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।