ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে নারীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, এসআই গ্রেপ্তার

  • Golam Faruk
  • প্রকাশিত: ০৯:১৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • 46

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার এস আই খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বলেছে, অভিযোগ প্রমাণ হলে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে থানায় সাধারণ ডায়রি করতে গিয়ে।

প্রায় এক মাস আগে শেরে বাংলা নগর থানায় একটি অভিযোগ নিয়ে যান ওই নারী। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ সাধারণ ডায়েরি না নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি দেখার আশ্বাস দেন শেরে বাংলা নগর থানার সাব ইন্সপেক্টর খায়রুল আলম। ভুক্তভোগীর সমস্যটি পারিবারিকভাবে সমাধান হয়ে গেলেও ঐ পুলিশ সদস্য তার সাথে যোগাযোগ করতে থাকে। পুলিশ অফিসার খায়রুল বারবার কল দেয়ায় নম্বার বন্ধ করতে বাধ্য হন ভুক্তভোগী নারী। কিন্তু তাতেও রেহাই পাননি তিনি।

নতুন নম্বার জোগাড় করে সোমবার সকালে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যান গুলশানের একটি আবাসিক হোটেলে। সেখানে তাকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনায় গুলশান থানায় একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন সাব ইন্সপেক্টর খায়রুল আলম। এরই মধ্যে, গুলশান থানা পুলিশ অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য খায়রুল আলমকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইলে তা নামঞ্জুর করেন মুখ্য মহানগনর হাকিম মাহমুদা আক্তারের আদালত।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

Golam Faruk

জনপ্রিয়

রাজধানীতে নারীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, এসআই গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ০৯:১৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২১

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার এস আই খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বলেছে, অভিযোগ প্রমাণ হলে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে থানায় সাধারণ ডায়রি করতে গিয়ে।

প্রায় এক মাস আগে শেরে বাংলা নগর থানায় একটি অভিযোগ নিয়ে যান ওই নারী। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ সাধারণ ডায়েরি না নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি দেখার আশ্বাস দেন শেরে বাংলা নগর থানার সাব ইন্সপেক্টর খায়রুল আলম। ভুক্তভোগীর সমস্যটি পারিবারিকভাবে সমাধান হয়ে গেলেও ঐ পুলিশ সদস্য তার সাথে যোগাযোগ করতে থাকে। পুলিশ অফিসার খায়রুল বারবার কল দেয়ায় নম্বার বন্ধ করতে বাধ্য হন ভুক্তভোগী নারী। কিন্তু তাতেও রেহাই পাননি তিনি।

নতুন নম্বার জোগাড় করে সোমবার সকালে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যান গুলশানের একটি আবাসিক হোটেলে। সেখানে তাকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনায় গুলশান থানায় একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন সাব ইন্সপেক্টর খায়রুল আলম। এরই মধ্যে, গুলশান থানা পুলিশ অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য খায়রুল আলমকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইলে তা নামঞ্জুর করেন মুখ্য মহানগনর হাকিম মাহমুদা আক্তারের আদালত।