ঢাকা ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইয়ুথ নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সীতাকুণ্ড ভ্রমণ অনুষ্ঠিত হতে চলছে

  • Golam Faruk
  • প্রকাশিত: ০২:১০:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • 49

বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সীতাকুণ্ড তে আগামী ২৯ শে সেপ্টেম্বর রোজ বুধবার ইয়ুথ নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সীতাকুণ্ড ভ্রমণ অনুষ্ঠিত হতে চলছে। ফাউন্ডেশন মেম্বার ছাড়াও সকলের বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা, প্রাণবন্ত ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে সকলে অংশগ্রহণ করায়, এটি একটি মিলন মেলায় পরিনত চলছে।

নামকরণের ইতিহাস:

পুরো চট্টগ্রাম জেলার অনেক দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে পুরো সীতাকুণ্ড উপজেলা একটি। নামকরণের ইতিহাস ঘেঁটে তেমন কিছু একটা না পাওয়া গেলেও, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে ‘রামের স্ত্রী সীতা এই উপজেলায় আসেন, এবং একটি কুণ্ডে স্নান করেন’, এরপর থেকে ওই জায়গাকে সীতার কুণ্ড নামে ডাকা হতো। বেশিরভাগ প্রচলিত কাহিনীগুলোই ‘সীতা’ এবং ‘একটি কুণ্ড’র সঙ্গে সম্পর্কিত।

কি কি আছে সীতাকুণ্ডে:

চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ড অপরূপ প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্যের লীলাভূমি।
সীতাকুণ্ড উপজেলাটি সীতাকুণ্ড পাহাড় এবং প্রায় ৩৫ কিলোমিটার বিস্তৃত সমুদ্র সৈকত দিয়ে ঘেরা। এ উপজেলায় সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থানগুলো হচ্ছে সীতাকুণ্ড পাহাড়, সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক, সুপ্তধারা, সহস্রধারা ঝর্ণা, বাঁশবাড়িয়া গুলিয়াখালি সৈকত, খৈয়ছড়া ঝর্ণা, চন্দ্রনাথ মন্দির এবং বিরূপাক্ষ মন্দির। এই মন্দির সমূহ সীতাকুণ্ড পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত।
পাহাড় যেখানে শুরু সেখানে একটি, রাম-সীতা মন্দির। প্রচলিত আছে সত্য যুগে এক দক্ষ রাজা মহাদেবের ওপর প্রতিশোধ নেবার জন্য এক যজ্ঞের আয়োজন করে। এ যজ্ঞের কারণ ছিল ওই দক্ষ রাজার কন্যা ‘সতী’। কারণ পিতার অনুমতি ছাড়াই সতী বিয়ে করেছিল মহাদেবকে। দক্ষ নারাজ ছিলেন নিজের মেয়ের ওপর, বিরক্ত ছিলেন মহাদেবের ওপরও। দক্ষ রাজা মহাদেব ও সতী ছাড়া বাকি সকল দেব-দেবীকে সেই যজ্ঞে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। মহাদেবের অনিচ্ছা থাকার পরও সতী মহাদেবের সকল অনুসারীদের নিয়ে যজ্ঞের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন।

সতী আমন্ত্রণ না পেয়ে অনুষ্ঠানে আসেন। দক্ষ রাজা তাকে কোনও সম্মান তো করেনই না, উল্টো মহাদেবকে প্রবল অপমান করেন। স্বামীর এই অপমান সইতে না পেরে সঙ্গে সঙ্গে আত্মহত্যা করে বসেন সতী। সতীর মৃত্যু সংবাদ শুনে মহাদেব শোকে ও অপমানে প্রচণ্ড রেগে যান। দক্ষের যজ্ঞের বারোটা তো বাজানই, সতীর দেহ কাঁধে নিয়ে বিশ্বব্যাপী এক প্রলয় নৃত্য শুরু করেন। মহাদেবের এই কাণ্ডে পৃথিবী ধ্বংস হবার উপক্রম হয়। অন্যান্য দেবতা অনেক অনুরোধ করে মহাদেবকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং সকল দেবতার অনুরোধে বিষ্ণুদেব তার সুদর্শন চক্র দিয়ে সতীর দেহকে ছেদন করেন। ফলে তার দেহের বিভিন্ন অংশ ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে পড়ে। তার দেহের অংশবিশেষ যেসব অঞ্চলে গিয়ে পড়ে সেসব অঞ্চলকে শক্তি-পীঠ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিংবদন্তী অনুসারে, সতীর দেহের বাম হাত এসে পড়েছিল সীতাকুণ্ডের এই চন্দ্রনাথ পাহাড় এলাকায়।

বাকি দুটো মন্দির আছে পাহাড়ের ওপরে। একটি পাহাড়ের মাঝে, নাম বীরুপাক্ষ মন্দির এবং একদম চূড়ায় একটি, নাম চন্দ্রনাথ মন্দির। চন্দ্রনাথে উঠার পর দেখতে পাবেন কি পরম নিশ্চিন্তে, সমুদ্রের কোলে শুয়ে আছে সীতাকুণ্ড উপজেলা। হালকা বৃষ্টির দিনে গেলে পাবেন পাহাড়ের জলদগম্ভীর রূপ। ঘন মেঘে বেষ্টিত সীতাকুণ্ড পাহাড়টাকে মনে হবে সাদা ঢাল হাতে দাঁড়ানো পৌরাণিক কোনও যোদ্ধা। যে যুদ্ধ জয় করে এসে টানটান চিত্তে সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

ভ্রমণ পরিকল্পনাঃ

১ম দিন (২৯ শে সেপ্টেম্বর) :-
রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ঢাকা থেকে বাসে (এনা পরিবহণ) সীতাকুণ্ডুর উদ্দেশ্যে যাত্রা।

২য় দিন (৩০ শে সেপ্টেম্বর):-

সারারাত অবিরাম চলে সকাল ৬ টার দিকে টার দিকে আমরা পৌঁছে যাবো সীতাকুণ্ডে। হালকা ফ্রেস হয়ে, নাস্তা করে সীতাকুণ্ড বাজারে, তারপর ফাউন্ডেশন থেকে ঠিক করা হোটেলে।
আমাদের প্রথম গন্তব্য সিতাকুন্ডু ইকোপার্ক। সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ইকোপার্ক গেটে। তারপর সেখানে থেকে সুপ্তধারা ও সহস্রধারায়। তারপর সীতাকুণ্ড বাজারে ব্যাক করে লাঞ্চ। লাঞ্চ শেষে হোটেলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম করে বিকাল ৪ টার দিকে বাঁশবাড়িয়া সী-বিচ এ জোয়ার দেখবো।
তারপর সেখান থেকে গুলিয়াখালি সী-বিচে। মূলত সি-বিচ বলতে আমরা কি বুঝি? এক পাশে বালি আর এক পাশে পানি। কিন্তু এই সমুদ্র সৈকতটি সম্পূর্ণ আলাদা। সাগরের পাশে সবুজ ঘাসের উপর আছড়ে পরে সমুদ্রের পানি। এক পাশে সমুদ্রের জলরাশি আরেক পাশে কেওড়া বন। একই সাথে সোয়ান ফরেস্ট ও ম্যানগ্রোভ বনও দেখতে পাবেন। নিজ চোখে না দেখলে এই সৌন্দর্য বুঝা সম্ভব না।সবুজ কার্পেটে বসে সূর্যাস্ত উপভোগ করে সিএনজি তে করে ব্যাক আবারো সীতাকুন্ডু বাজারে। তারপর হোটেলেে ফ্রেশ হয়ে
ডিনার।

৩য় দিন (১ অক্টোবর):-
সকালে ব্রেকফাস্ট করে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উদ্যেশে যাত্রা। এরপর চন্দ্রনাথ জয় শেষে হোটেলে ব্যাক করে রেস্ট নিয়ে চেক আউট ও লাঞ্চ শেষে বিকালে খৈয়াছাড়া ঝর্ণার উদ্যেশ্যে যাত্রা। ঝর্ণা উপভোগ শেষে সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ড থেকে চট্রগ্রামে যাত্রা। তারপর ডিনার করে
রাত ১১ টার বাসে ( এনা পরিবহণ) ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা।

৪র্থ দিন (২ অক্টোবর) :-
ভোর ৬ টায় ঢাকায় পর্দাপণ।

ভ্রমণের ইভেন্টঃ ( https://fb.me/e/1COQzZ1Oj )

মূলত, সীতাকুণ্ড পাহাড়ের গাম্ভীর্যে যেনো নিঝুম গিরিপথের কান্নার প্রতিরূপ। চট্রগ্রামেরে সীতাকুণ্ড অপরূপ প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্যের লীলাভূমি। সীতাকুণ্ড এমন একটি জায়গা যেখানে গিয়ে আপনাকে কখনও হতাশ হয়ে ফিরে আসতে হবে না, এইখানে আপনি একসাথে পাহাড়, সমুদ্র, ঝর্ণা, লেক সবই পাবেন, তাই নিজের পছন্দমতো যেকোনটা বেছে নিতে পারবেন। এই যান্ত্রিক কর্মব্যস্ততার মধ্যে পাহাড়, সমুদ্র ও ঝর্ণা উপভোগের এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে ইয়ুথ নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

Golam Faruk

জনপ্রিয়

ইয়ুথ নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সীতাকুণ্ড ভ্রমণ অনুষ্ঠিত হতে চলছে

প্রকাশিত: ০২:১০:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সীতাকুণ্ড তে আগামী ২৯ শে সেপ্টেম্বর রোজ বুধবার ইয়ুথ নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সীতাকুণ্ড ভ্রমণ অনুষ্ঠিত হতে চলছে। ফাউন্ডেশন মেম্বার ছাড়াও সকলের বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা, প্রাণবন্ত ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে সকলে অংশগ্রহণ করায়, এটি একটি মিলন মেলায় পরিনত চলছে।

নামকরণের ইতিহাস:

পুরো চট্টগ্রাম জেলার অনেক দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে পুরো সীতাকুণ্ড উপজেলা একটি। নামকরণের ইতিহাস ঘেঁটে তেমন কিছু একটা না পাওয়া গেলেও, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে ‘রামের স্ত্রী সীতা এই উপজেলায় আসেন, এবং একটি কুণ্ডে স্নান করেন’, এরপর থেকে ওই জায়গাকে সীতার কুণ্ড নামে ডাকা হতো। বেশিরভাগ প্রচলিত কাহিনীগুলোই ‘সীতা’ এবং ‘একটি কুণ্ড’র সঙ্গে সম্পর্কিত।

কি কি আছে সীতাকুণ্ডে:

চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ড অপরূপ প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্যের লীলাভূমি।
সীতাকুণ্ড উপজেলাটি সীতাকুণ্ড পাহাড় এবং প্রায় ৩৫ কিলোমিটার বিস্তৃত সমুদ্র সৈকত দিয়ে ঘেরা। এ উপজেলায় সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থানগুলো হচ্ছে সীতাকুণ্ড পাহাড়, সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক, সুপ্তধারা, সহস্রধারা ঝর্ণা, বাঁশবাড়িয়া গুলিয়াখালি সৈকত, খৈয়ছড়া ঝর্ণা, চন্দ্রনাথ মন্দির এবং বিরূপাক্ষ মন্দির। এই মন্দির সমূহ সীতাকুণ্ড পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত।
পাহাড় যেখানে শুরু সেখানে একটি, রাম-সীতা মন্দির। প্রচলিত আছে সত্য যুগে এক দক্ষ রাজা মহাদেবের ওপর প্রতিশোধ নেবার জন্য এক যজ্ঞের আয়োজন করে। এ যজ্ঞের কারণ ছিল ওই দক্ষ রাজার কন্যা ‘সতী’। কারণ পিতার অনুমতি ছাড়াই সতী বিয়ে করেছিল মহাদেবকে। দক্ষ নারাজ ছিলেন নিজের মেয়ের ওপর, বিরক্ত ছিলেন মহাদেবের ওপরও। দক্ষ রাজা মহাদেব ও সতী ছাড়া বাকি সকল দেব-দেবীকে সেই যজ্ঞে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। মহাদেবের অনিচ্ছা থাকার পরও সতী মহাদেবের সকল অনুসারীদের নিয়ে যজ্ঞের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন।

সতী আমন্ত্রণ না পেয়ে অনুষ্ঠানে আসেন। দক্ষ রাজা তাকে কোনও সম্মান তো করেনই না, উল্টো মহাদেবকে প্রবল অপমান করেন। স্বামীর এই অপমান সইতে না পেরে সঙ্গে সঙ্গে আত্মহত্যা করে বসেন সতী। সতীর মৃত্যু সংবাদ শুনে মহাদেব শোকে ও অপমানে প্রচণ্ড রেগে যান। দক্ষের যজ্ঞের বারোটা তো বাজানই, সতীর দেহ কাঁধে নিয়ে বিশ্বব্যাপী এক প্রলয় নৃত্য শুরু করেন। মহাদেবের এই কাণ্ডে পৃথিবী ধ্বংস হবার উপক্রম হয়। অন্যান্য দেবতা অনেক অনুরোধ করে মহাদেবকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং সকল দেবতার অনুরোধে বিষ্ণুদেব তার সুদর্শন চক্র দিয়ে সতীর দেহকে ছেদন করেন। ফলে তার দেহের বিভিন্ন অংশ ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে পড়ে। তার দেহের অংশবিশেষ যেসব অঞ্চলে গিয়ে পড়ে সেসব অঞ্চলকে শক্তি-পীঠ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিংবদন্তী অনুসারে, সতীর দেহের বাম হাত এসে পড়েছিল সীতাকুণ্ডের এই চন্দ্রনাথ পাহাড় এলাকায়।

বাকি দুটো মন্দির আছে পাহাড়ের ওপরে। একটি পাহাড়ের মাঝে, নাম বীরুপাক্ষ মন্দির এবং একদম চূড়ায় একটি, নাম চন্দ্রনাথ মন্দির। চন্দ্রনাথে উঠার পর দেখতে পাবেন কি পরম নিশ্চিন্তে, সমুদ্রের কোলে শুয়ে আছে সীতাকুণ্ড উপজেলা। হালকা বৃষ্টির দিনে গেলে পাবেন পাহাড়ের জলদগম্ভীর রূপ। ঘন মেঘে বেষ্টিত সীতাকুণ্ড পাহাড়টাকে মনে হবে সাদা ঢাল হাতে দাঁড়ানো পৌরাণিক কোনও যোদ্ধা। যে যুদ্ধ জয় করে এসে টানটান চিত্তে সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

ভ্রমণ পরিকল্পনাঃ

১ম দিন (২৯ শে সেপ্টেম্বর) :-
রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ঢাকা থেকে বাসে (এনা পরিবহণ) সীতাকুণ্ডুর উদ্দেশ্যে যাত্রা।

২য় দিন (৩০ শে সেপ্টেম্বর):-

সারারাত অবিরাম চলে সকাল ৬ টার দিকে টার দিকে আমরা পৌঁছে যাবো সীতাকুণ্ডে। হালকা ফ্রেস হয়ে, নাস্তা করে সীতাকুণ্ড বাজারে, তারপর ফাউন্ডেশন থেকে ঠিক করা হোটেলে।
আমাদের প্রথম গন্তব্য সিতাকুন্ডু ইকোপার্ক। সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ইকোপার্ক গেটে। তারপর সেখানে থেকে সুপ্তধারা ও সহস্রধারায়। তারপর সীতাকুণ্ড বাজারে ব্যাক করে লাঞ্চ। লাঞ্চ শেষে হোটেলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম করে বিকাল ৪ টার দিকে বাঁশবাড়িয়া সী-বিচ এ জোয়ার দেখবো।
তারপর সেখান থেকে গুলিয়াখালি সী-বিচে। মূলত সি-বিচ বলতে আমরা কি বুঝি? এক পাশে বালি আর এক পাশে পানি। কিন্তু এই সমুদ্র সৈকতটি সম্পূর্ণ আলাদা। সাগরের পাশে সবুজ ঘাসের উপর আছড়ে পরে সমুদ্রের পানি। এক পাশে সমুদ্রের জলরাশি আরেক পাশে কেওড়া বন। একই সাথে সোয়ান ফরেস্ট ও ম্যানগ্রোভ বনও দেখতে পাবেন। নিজ চোখে না দেখলে এই সৌন্দর্য বুঝা সম্ভব না।সবুজ কার্পেটে বসে সূর্যাস্ত উপভোগ করে সিএনজি তে করে ব্যাক আবারো সীতাকুন্ডু বাজারে। তারপর হোটেলেে ফ্রেশ হয়ে
ডিনার।

৩য় দিন (১ অক্টোবর):-
সকালে ব্রেকফাস্ট করে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উদ্যেশে যাত্রা। এরপর চন্দ্রনাথ জয় শেষে হোটেলে ব্যাক করে রেস্ট নিয়ে চেক আউট ও লাঞ্চ শেষে বিকালে খৈয়াছাড়া ঝর্ণার উদ্যেশ্যে যাত্রা। ঝর্ণা উপভোগ শেষে সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ড থেকে চট্রগ্রামে যাত্রা। তারপর ডিনার করে
রাত ১১ টার বাসে ( এনা পরিবহণ) ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা।

৪র্থ দিন (২ অক্টোবর) :-
ভোর ৬ টায় ঢাকায় পর্দাপণ।

ভ্রমণের ইভেন্টঃ ( https://fb.me/e/1COQzZ1Oj )

মূলত, সীতাকুণ্ড পাহাড়ের গাম্ভীর্যে যেনো নিঝুম গিরিপথের কান্নার প্রতিরূপ। চট্রগ্রামেরে সীতাকুণ্ড অপরূপ প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্যের লীলাভূমি। সীতাকুণ্ড এমন একটি জায়গা যেখানে গিয়ে আপনাকে কখনও হতাশ হয়ে ফিরে আসতে হবে না, এইখানে আপনি একসাথে পাহাড়, সমুদ্র, ঝর্ণা, লেক সবই পাবেন, তাই নিজের পছন্দমতো যেকোনটা বেছে নিতে পারবেন। এই যান্ত্রিক কর্মব্যস্ততার মধ্যে পাহাড়, সমুদ্র ও ঝর্ণা উপভোগের এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে ইয়ুথ নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন।