ঢাকা ০৭:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কমেছে যমুনার পানি, বেড়েছে তীরবর্তী মানুষের দুর্ভোগ

  • Golam Faruk
  • প্রকাশিত: ০৯:৪৫:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • 45

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি দ্রুত কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ২০ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় পানি কমার বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টের দায়িত্বে থাকা গেজ মিটার (পানি পরিমাপক) আব্দুল লতিফ।

তিনি জানান, মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকে বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা পর্যন্ত শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ২০ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল অনেক এলাকা থেকে এখনও পানি নামেনি। এতে প্রায় ১ লাখ মানুষ এখনও পানিবন্দী জীবনযাপন করছে।

পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে জেলার সদর, কাজীপুর, চৌহালী ও এনায়তপুরে শুরু হয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। তলিয়ে গেছে এসব অঞ্চলের শত শত একর ফসলি জমি। গো-চারণ ভূমি চলিয়ে যাওয়ায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। বন্যা দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম  জানান, সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলায় চাল ও নগদ টাকা সাহায্য দেয়া হয়েছে।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

Golam Faruk

জনপ্রিয়

কমেছে যমুনার পানি, বেড়েছে তীরবর্তী মানুষের দুর্ভোগ

প্রকাশিত: ০৯:৪৫:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি দ্রুত কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ২০ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় পানি কমার বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টের দায়িত্বে থাকা গেজ মিটার (পানি পরিমাপক) আব্দুল লতিফ।

তিনি জানান, মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকে বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা পর্যন্ত শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ২০ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল অনেক এলাকা থেকে এখনও পানি নামেনি। এতে প্রায় ১ লাখ মানুষ এখনও পানিবন্দী জীবনযাপন করছে।

পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে জেলার সদর, কাজীপুর, চৌহালী ও এনায়তপুরে শুরু হয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। তলিয়ে গেছে এসব অঞ্চলের শত শত একর ফসলি জমি। গো-চারণ ভূমি চলিয়ে যাওয়ায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। বন্যা দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম  জানান, সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলায় চাল ও নগদ টাকা সাহায্য দেয়া হয়েছে।