ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জাস্টিন ট্রুডোর বিজয়ে বাংলাদেশ ন্যাপ’র অভিনন্দন

  • Golam Faruk
  • প্রকাশিত: ০৭:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • 61

কানাডার ফেডারেল নির্বাচনে লিবারেল পার্টির বিজয় নিশ্চিত হওয়ায় পার্টির নেতা জাস্টিন ট্রুডোকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বার্তায় ট্রুডোকে অভিনন্দন জানান। বার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, তৃতীয় বারের মত ট্রুডোর এই বিজয় বিশ্ব নেতৃত্ব হিসেবে সত্যিকারের স্বীকৃতি।

তারা বলেন, কানাডা-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ট্রুডোর পিতা ও কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোর বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। কানাডা-বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান উদারনৈতিক আদর্শ ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের মধ্য দিয়ে আরো বেশি ঘনিষ্ঠ হতে থাকবে। এই সম্পর্ক আরো নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী হিসাবে জাস্টিন ট্রুডো গুরুত্বের সাথে দেখবেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, করোনায় বিপর্যস্থ বিশ্বে বাংলাদেশের পাশে কানাডার বন্ধুত্বপূর্ণ অবস্থা অবশ্যই বাংলাদেশের জনগন শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করবে। একই সাথে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাস্টিন ট্রুডোর সক্রিয়তা ও ধারাবাহিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশ কৃতজ্ঞ।

তারা বলেন, বাংলাদেশ ন্যাপ বিশ্বাস করে জাস্টিন ট্রুডোর নেতৃত্বে আগামী দিনগুলোতে কানাডা-বাংলাদেশ দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যকার উষ্ণ ও মজবুত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

Golam Faruk

জনপ্রিয়

জাস্টিন ট্রুডোর বিজয়ে বাংলাদেশ ন্যাপ’র অভিনন্দন

প্রকাশিত: ০৭:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১

কানাডার ফেডারেল নির্বাচনে লিবারেল পার্টির বিজয় নিশ্চিত হওয়ায় পার্টির নেতা জাস্টিন ট্রুডোকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বার্তায় ট্রুডোকে অভিনন্দন জানান। বার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, তৃতীয় বারের মত ট্রুডোর এই বিজয় বিশ্ব নেতৃত্ব হিসেবে সত্যিকারের স্বীকৃতি।

তারা বলেন, কানাডা-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ট্রুডোর পিতা ও কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোর বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। কানাডা-বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান উদারনৈতিক আদর্শ ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের মধ্য দিয়ে আরো বেশি ঘনিষ্ঠ হতে থাকবে। এই সম্পর্ক আরো নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী হিসাবে জাস্টিন ট্রুডো গুরুত্বের সাথে দেখবেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, করোনায় বিপর্যস্থ বিশ্বে বাংলাদেশের পাশে কানাডার বন্ধুত্বপূর্ণ অবস্থা অবশ্যই বাংলাদেশের জনগন শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করবে। একই সাথে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাস্টিন ট্রুডোর সক্রিয়তা ও ধারাবাহিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশ কৃতজ্ঞ।

তারা বলেন, বাংলাদেশ ন্যাপ বিশ্বাস করে জাস্টিন ট্রুডোর নেতৃত্বে আগামী দিনগুলোতে কানাডা-বাংলাদেশ দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যকার উষ্ণ ও মজবুত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।