ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিলেটে ভোজন বাড়ি সীল গালা পরবর্তী এখন অন্যান্য রেস্টুরেন্ট মালিকেরা আতংকে ভুগছেন

  • Golam Faruk
  • প্রকাশিত: ১০:৪৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ নভেম্বর ২০২১
  • 59

বিশেষ প্রতিবেদকঃ অঃএসঃতাঃ

গত কয়েক দিন আগে সিলেট নগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযানের মাধ্যমে পচাও বাসি খাবার পরিবেশন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশও লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা পরিচালনা করায় সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারস্থ ভোজনবাড়ি রেষ্টুরেন্টের পরিচালক সহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে র‌্যাব -৯ সিলেট ।

কতোয়ালী থানার ওসি মো: আলী মাহমুদ জানান,র‌্যাব-৯ এর কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৩ জন আসামী করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন ভোজনবাড়ী রেস্টুরেন্টে পরিচালক বিশ্বনাথের অলংকারী গ্রামে মৃত সোনাফর আলীর পুত্র তোরাব আলী (৪৪), এটিএম শোয়েব
এবং রেস্টুরেন্টের ম্যানাজার ও নগরীর লালাবাজারের মৃত গিরিন্দ্র চন্দ্র পালের পুত্র শুভ্র চন্দ্র পাল (২৯), রেস্টুরেন্ট সুপারভাইজার সৈয়দ মুহাদ্দিছ আলী (৩৭), ঝুনু চৌধুরী (৫৫), লুৎফুর রহমান চৌধুরী (৫৫), লিলু মিয়া (৬০),মোঃ কবির আহমদ (৪৫),সুজেল আহমদ (৩৮), শিপন দেব (৪৫) নিলেন্দু দেব,ইফতেখারুল আলম রুম্মান (৩০)ও শাহ্ কয়েছ চৌধুরী (৬০)। এদের মধ্যে তিন জন আসামীকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট সীল গালাও মামলা পরবর্তী বর্তমানে সিলেটের আরও অন্যান্য রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়িও মালিকদের মধ্যে চরম আতংক বিরাজ করছে। গতকাল (২ ১ নভেম্বর, রোববার-) সিলেট নগরী সরেজমিন পরিদর্শন করে এই সার্বিক বিষয়ে পরিস্থিতি জানা যায়।

ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট সীল গালা ও মামলা বিষয়টি নিয়ে সিলেটে ব্যবসায়ি মহলের মধ্যে নানান ধরনের মন্তব্য শোনা যায়। বিশেষ করে যে বিষয়টি জানা যায়,সেই বিষয়টি হচ্ছে এই ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট এর মুল মালিক ব্যবসায়ি অংশীদার হচ্ছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদের আপন ছোট ভাই বিএনপি নেতা মো: কবির আহমেদ। এদিকে এই কয়সর হলেন একজন তিনি বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগের চরম শত্রু। তার বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট। এই কয়সর যুক্তরাজ্য থেকে নানান ধরনের মিথ্যা বানোয়াট ও অপ্রচার চালিয়ে যা হরহামেশা সরকারের বিরুদ্ধে। এমনকি গত কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডন আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে লন্ডনে সফরকালে থাকা অবস্থায় এই কয়সর সরকার প্রধান শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ্রচার সহ বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ বিকৃত বক্তব্য দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো সহ নানান ধরনের মিথ্যা তথ্য উপাত্ত নিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেন এই কয়সর আহমদ। সরকার উতখাতের ষড়যন্ত্রের মুল চালিকা শক্তি এই কয়সর আহমদ। আর এই ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট এর মুল অংশীদার মালিক হলেন সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও যুক্তরাজ্য বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কয়সর আহমদের আপ ছোট্ট মো: কবির আহমেদ। এদিকে কবির আহমেদের বিরোধের ও সরকার বিরোধী অপপ্রচার সহ নানান ধরনের অভিযোগ রয়েছে মো: কবিরের বিরুদ্ধে। এমতাবস্থায় ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট এর অন্যতম পরিচালক কয়সরের ছোট্ট ভাই উপজেলা বিএনপি নেতা মো: কবির আহমেদ গোপনীয় ভাবে পালিয়ে যান দেশ ছেড়ে ।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে গতকাল সরেজমিন পরিদর্শন কালে জানা যায় কবির আহমেদ এই ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট এর ব্যবসার আড়ালে এখান থেকে সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা সহ বিভিন্ন ধরনের উস্কানীমূলক মন্তব্য সহকারে নানান ধরনের মিথ্যা তথ্য বানোয়াট সরকারের বিরুদ্ধে অপ্রচার চালিয়ে যেতেন। আর এই রেস্টুরেন্ট ভোজন বাড়ি থেকে প্রতি মাসে বড় একটা অংশ টাকা লন্ডনে প্রাচার করা হয় কবিবের বড়ভাই কয়ছয় আহমেদ এর কাছে । তারপর হাতবদল করে সেই টাকা লন্ডনে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামি বিএনপি নেতা তারেক রহমানের কাছে এই টাকাগুলো পৌঁছে দেওয়া হয়। আর সেই টাকা দিয়ে সেখানে লন্ডনে সরকার বিরুদ্ধে অপ্রচার চালিয়ে যাওয়ার মুল ভুমিকায় দায়িত্ব পালন করেন মো: কবির আহমেদের বড়ভাই লন্ডন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর আহমদ। সরেজমিনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আরও জানা যায় যে এই কয়সর আহমদ ও কবির আহমেদ তারা দুই ভাই মিলে এই ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্টকে পুজি করে আড়ালে গোপনীয় ভাবে মুলত তারা সরকারের বিরুদ্ধে অপ্রচার সহ বিভিন্ন ধরনের উস্কানীমূলক মন্তব্য করে সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছেন বলে গোয়েন্দা সুত্রে জানা যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দাদের নজর দারির মধ্যে রয়েছিলেন মোঃ কবির আহমেদ এমতাবস্থায় হঠাৎ করে চোখ ফাঁকি দিয়ে গোপনীয় ভাবে দেশ ত্যাগ করেন কবির আহমেদ।

এছাড়াও সরেজমিন পরিদর্শন কালে আরোও জানা যায় সিলেটের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়িও মালিকরা আতংকে থাকার কারণ হচ্ছে এই কবির আহমেদ ও কয়সর আহমদ তারা দু-ভাইয়ের বিরুদ্ধে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার নজর দারির কারণ। কখন আবার কোন রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়।

হাজতে থাকা তিন আসামি হচ্ছেন-রেস্টুরেন্ট পরিচালক মোঃ তোরাব আলী, ম্যানাজার শুভ্র চন্দ্র পাল, ও সুপারভাইজার মুহাদ্দিস। বর্তমানে হাজতে থাকা এই তিন আসামির জন্য আদালতে জামিন চাওয়া হলে – আদালত থেকে জামিন নামঞ্জুর করে দেওয়া হয় প্রতিবারই।
এমতাবস্থায় বাকি অন্য যে আসামিরা রয়েছেন তাদের মধ্যে প্রতিটি মুহূর্ত একটা আতংক বিরাজ করছে। এছাড়াও ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট সীল গালা পরবর্তী সময়ে এখন পর্যন্ত সিলেটের অন্য রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী ও মালিকদের মধ্যে মারাত্মক ভাবে ভিন্ন রকমের মানসিকশক্তি হারানোও আতংক বিরাজ করে যাচ্ছে ।

প্রসঙ্গ বিষয়টি হচ্ছে মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা থেকে আগত র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসুর নেতৃত্বে সিলেটের ৩টি রেষ্টুরেন্টে অভিযান চালানো হয়। এসময় অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশনও ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে তাদের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না থাকা ভোজনবাড়ি রেষ্টুরেন্ট সিলগালা করে দেয়া হয়।

সেই সাথে বিকেলে রেস্টুরেন্ট সিলগালা করে দেয়ার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে হোটেল শ্রমিক মালিকরা। তখন সিলেটে হোটেল ধর্মঘটের ডাক দিলেও পরে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। অন্যদিকে হোটেল মালিক শ্রমিকরা আন্দোলন করলেও র‌্যাব আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। অভিযানের পরদিন বুধবার ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে ।

( ২ নভেম্বর মঙ্গলবার-) থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ১৯/২০ দিন ধরে ভোজনবাড়ি রেষ্টুরেন্ট এখনো সিলগালা রয়েছে। এতে রেস্টুরেন্ট বন্ধ সিল গালা বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট জানতে চাইলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। তাদের ভাষ্য হচ্ছে এতে উপরের দিক নির্দেশনা রয়েছে। তাদের পক্ষে কোনো কিছু মন্তব্য করা যাবে না ।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

Golam Faruk

জনপ্রিয়

সিলেটে ভোজন বাড়ি সীল গালা পরবর্তী এখন অন্যান্য রেস্টুরেন্ট মালিকেরা আতংকে ভুগছেন

প্রকাশিত: ১০:৪৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ নভেম্বর ২০২১

বিশেষ প্রতিবেদকঃ অঃএসঃতাঃ

গত কয়েক দিন আগে সিলেট নগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযানের মাধ্যমে পচাও বাসি খাবার পরিবেশন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশও লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা পরিচালনা করায় সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারস্থ ভোজনবাড়ি রেষ্টুরেন্টের পরিচালক সহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে র‌্যাব -৯ সিলেট ।

কতোয়ালী থানার ওসি মো: আলী মাহমুদ জানান,র‌্যাব-৯ এর কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৩ জন আসামী করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন ভোজনবাড়ী রেস্টুরেন্টে পরিচালক বিশ্বনাথের অলংকারী গ্রামে মৃত সোনাফর আলীর পুত্র তোরাব আলী (৪৪), এটিএম শোয়েব
এবং রেস্টুরেন্টের ম্যানাজার ও নগরীর লালাবাজারের মৃত গিরিন্দ্র চন্দ্র পালের পুত্র শুভ্র চন্দ্র পাল (২৯), রেস্টুরেন্ট সুপারভাইজার সৈয়দ মুহাদ্দিছ আলী (৩৭), ঝুনু চৌধুরী (৫৫), লুৎফুর রহমান চৌধুরী (৫৫), লিলু মিয়া (৬০),মোঃ কবির আহমদ (৪৫),সুজেল আহমদ (৩৮), শিপন দেব (৪৫) নিলেন্দু দেব,ইফতেখারুল আলম রুম্মান (৩০)ও শাহ্ কয়েছ চৌধুরী (৬০)। এদের মধ্যে তিন জন আসামীকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট সীল গালাও মামলা পরবর্তী বর্তমানে সিলেটের আরও অন্যান্য রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়িও মালিকদের মধ্যে চরম আতংক বিরাজ করছে। গতকাল (২ ১ নভেম্বর, রোববার-) সিলেট নগরী সরেজমিন পরিদর্শন করে এই সার্বিক বিষয়ে পরিস্থিতি জানা যায়।

ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট সীল গালা ও মামলা বিষয়টি নিয়ে সিলেটে ব্যবসায়ি মহলের মধ্যে নানান ধরনের মন্তব্য শোনা যায়। বিশেষ করে যে বিষয়টি জানা যায়,সেই বিষয়টি হচ্ছে এই ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট এর মুল মালিক ব্যবসায়ি অংশীদার হচ্ছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদের আপন ছোট ভাই বিএনপি নেতা মো: কবির আহমেদ। এদিকে এই কয়সর হলেন একজন তিনি বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগের চরম শত্রু। তার বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট। এই কয়সর যুক্তরাজ্য থেকে নানান ধরনের মিথ্যা বানোয়াট ও অপ্রচার চালিয়ে যা হরহামেশা সরকারের বিরুদ্ধে। এমনকি গত কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডন আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে লন্ডনে সফরকালে থাকা অবস্থায় এই কয়সর সরকার প্রধান শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ্রচার সহ বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ বিকৃত বক্তব্য দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো সহ নানান ধরনের মিথ্যা তথ্য উপাত্ত নিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেন এই কয়সর আহমদ। সরকার উতখাতের ষড়যন্ত্রের মুল চালিকা শক্তি এই কয়সর আহমদ। আর এই ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট এর মুল অংশীদার মালিক হলেন সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও যুক্তরাজ্য বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কয়সর আহমদের আপ ছোট্ট মো: কবির আহমেদ। এদিকে কবির আহমেদের বিরোধের ও সরকার বিরোধী অপপ্রচার সহ নানান ধরনের অভিযোগ রয়েছে মো: কবিরের বিরুদ্ধে। এমতাবস্থায় ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট এর অন্যতম পরিচালক কয়সরের ছোট্ট ভাই উপজেলা বিএনপি নেতা মো: কবির আহমেদ গোপনীয় ভাবে পালিয়ে যান দেশ ছেড়ে ।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে গতকাল সরেজমিন পরিদর্শন কালে জানা যায় কবির আহমেদ এই ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট এর ব্যবসার আড়ালে এখান থেকে সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা সহ বিভিন্ন ধরনের উস্কানীমূলক মন্তব্য সহকারে নানান ধরনের মিথ্যা তথ্য বানোয়াট সরকারের বিরুদ্ধে অপ্রচার চালিয়ে যেতেন। আর এই রেস্টুরেন্ট ভোজন বাড়ি থেকে প্রতি মাসে বড় একটা অংশ টাকা লন্ডনে প্রাচার করা হয় কবিবের বড়ভাই কয়ছয় আহমেদ এর কাছে । তারপর হাতবদল করে সেই টাকা লন্ডনে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামি বিএনপি নেতা তারেক রহমানের কাছে এই টাকাগুলো পৌঁছে দেওয়া হয়। আর সেই টাকা দিয়ে সেখানে লন্ডনে সরকার বিরুদ্ধে অপ্রচার চালিয়ে যাওয়ার মুল ভুমিকায় দায়িত্ব পালন করেন মো: কবির আহমেদের বড়ভাই লন্ডন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর আহমদ। সরেজমিনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আরও জানা যায় যে এই কয়সর আহমদ ও কবির আহমেদ তারা দুই ভাই মিলে এই ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্টকে পুজি করে আড়ালে গোপনীয় ভাবে মুলত তারা সরকারের বিরুদ্ধে অপ্রচার সহ বিভিন্ন ধরনের উস্কানীমূলক মন্তব্য করে সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছেন বলে গোয়েন্দা সুত্রে জানা যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দাদের নজর দারির মধ্যে রয়েছিলেন মোঃ কবির আহমেদ এমতাবস্থায় হঠাৎ করে চোখ ফাঁকি দিয়ে গোপনীয় ভাবে দেশ ত্যাগ করেন কবির আহমেদ।

এছাড়াও সরেজমিন পরিদর্শন কালে আরোও জানা যায় সিলেটের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়িও মালিকরা আতংকে থাকার কারণ হচ্ছে এই কবির আহমেদ ও কয়সর আহমদ তারা দু-ভাইয়ের বিরুদ্ধে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার নজর দারির কারণ। কখন আবার কোন রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়।

হাজতে থাকা তিন আসামি হচ্ছেন-রেস্টুরেন্ট পরিচালক মোঃ তোরাব আলী, ম্যানাজার শুভ্র চন্দ্র পাল, ও সুপারভাইজার মুহাদ্দিস। বর্তমানে হাজতে থাকা এই তিন আসামির জন্য আদালতে জামিন চাওয়া হলে – আদালত থেকে জামিন নামঞ্জুর করে দেওয়া হয় প্রতিবারই।
এমতাবস্থায় বাকি অন্য যে আসামিরা রয়েছেন তাদের মধ্যে প্রতিটি মুহূর্ত একটা আতংক বিরাজ করছে। এছাড়াও ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্ট সীল গালা পরবর্তী সময়ে এখন পর্যন্ত সিলেটের অন্য রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী ও মালিকদের মধ্যে মারাত্মক ভাবে ভিন্ন রকমের মানসিকশক্তি হারানোও আতংক বিরাজ করে যাচ্ছে ।

প্রসঙ্গ বিষয়টি হচ্ছে মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা থেকে আগত র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসুর নেতৃত্বে সিলেটের ৩টি রেষ্টুরেন্টে অভিযান চালানো হয়। এসময় অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশনও ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে তাদের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না থাকা ভোজনবাড়ি রেষ্টুরেন্ট সিলগালা করে দেয়া হয়।

সেই সাথে বিকেলে রেস্টুরেন্ট সিলগালা করে দেয়ার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে হোটেল শ্রমিক মালিকরা। তখন সিলেটে হোটেল ধর্মঘটের ডাক দিলেও পরে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। অন্যদিকে হোটেল মালিক শ্রমিকরা আন্দোলন করলেও র‌্যাব আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। অভিযানের পরদিন বুধবার ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে ।

( ২ নভেম্বর মঙ্গলবার-) থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ১৯/২০ দিন ধরে ভোজনবাড়ি রেষ্টুরেন্ট এখনো সিলগালা রয়েছে। এতে রেস্টুরেন্ট বন্ধ সিল গালা বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট জানতে চাইলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। তাদের ভাষ্য হচ্ছে এতে উপরের দিক নির্দেশনা রয়েছে। তাদের পক্ষে কোনো কিছু মন্তব্য করা যাবে না ।