ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হিরো আলমের চ্যালেঞ্জ: যা বললেন ওবায়দুল কাদের

বগুড়া-৪ আসনে উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমকে নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ সোমবার রাজধানীতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

হিরো আলম তার সঙ্গে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতার যে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন সে সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আমি তাকে (হিরো আলম) কিছুই বলিনি। আমি মির্জা ফখরুলের মন্তব্যের জবাব দিয়েছি। সে প্রান্তিক মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করেছে। ভালো ভোটও পেয়েছে। তার সম্পর্কে আমার কোনো মন্তব্য নেই। আমি যা বলেছি তা মির্জা ফখরুলের মন্তব্য নিয়ে।

বিএনপির ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৪ আসনে গত ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে হিরো আলম ৮৪৩ ভোটের ব্যবধানে জাসদের প্রার্থী রেজাউল করিম তানসেনের কাছে পরাজিত হন। ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই হিরো আলম তাকে ষড়যন্ত্র করে হারিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।

এ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, হিরো আলম আজকে প্রমাণ করেছে যে আওয়ামী লীগ হিরো আলমের কাছেও কতটা অসহায়, যে তাকে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে ৬০০-৭০০ ভোটে নির্বাচনে জিততে হয়।

শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব উপরের মন্তব্য করেন। ওইদিনই কামরাঙ্গীরচরে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ওবায়দুল কাদের মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের জবাব দেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা ফখরুল বলেছেন, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। হায়রে মায়া। হিরো আলমের জন্য এত দরদ উঠল। তিনি ভেবেছিলেন, হিরো আলম জিতে যাবে। কিন্তু হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, হিরো আলমকে বিএনপি নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছে। তারা সংসদকে ছোট করতে হিরো আলমকে প্রার্থী বানিয়েছে। অবশেষে তাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে।

এদিকে ওবায়দুল কাদেরের কথার জবাবে গতকাল বগুড়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভোট পুনর্গণনার আবেদন জমা দিয়ে হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, ওবায়দুল কাদের স্যার কথায় কথায় বলেন, খেলা হবে। শক্তিশালী দল হলে খেলা হবে। আমি তাকে জোর গলায় বলতে চাই, সবার সঙ্গে আপনাকে খেলতে হবে না। একটা নির্বাচনে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবো। আপনি দলীয় প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ান। সুষ্ঠু একটা নির্বাচন দেন। দ্যাখেন খেলা হয় কি না।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

অনলাইন ডেস্ক

জনপ্রিয়

হিরো আলমের চ্যালেঞ্জ: যা বললেন ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত: ০৬:০৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বগুড়া-৪ আসনে উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমকে নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ সোমবার রাজধানীতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

হিরো আলম তার সঙ্গে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতার যে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন সে সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আমি তাকে (হিরো আলম) কিছুই বলিনি। আমি মির্জা ফখরুলের মন্তব্যের জবাব দিয়েছি। সে প্রান্তিক মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করেছে। ভালো ভোটও পেয়েছে। তার সম্পর্কে আমার কোনো মন্তব্য নেই। আমি যা বলেছি তা মির্জা ফখরুলের মন্তব্য নিয়ে।

বিএনপির ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৪ আসনে গত ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে হিরো আলম ৮৪৩ ভোটের ব্যবধানে জাসদের প্রার্থী রেজাউল করিম তানসেনের কাছে পরাজিত হন। ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই হিরো আলম তাকে ষড়যন্ত্র করে হারিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।

এ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, হিরো আলম আজকে প্রমাণ করেছে যে আওয়ামী লীগ হিরো আলমের কাছেও কতটা অসহায়, যে তাকে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে ৬০০-৭০০ ভোটে নির্বাচনে জিততে হয়।

শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব উপরের মন্তব্য করেন। ওইদিনই কামরাঙ্গীরচরে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ওবায়দুল কাদের মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের জবাব দেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা ফখরুল বলেছেন, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। হায়রে মায়া। হিরো আলমের জন্য এত দরদ উঠল। তিনি ভেবেছিলেন, হিরো আলম জিতে যাবে। কিন্তু হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, হিরো আলমকে বিএনপি নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছে। তারা সংসদকে ছোট করতে হিরো আলমকে প্রার্থী বানিয়েছে। অবশেষে তাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে।

এদিকে ওবায়দুল কাদেরের কথার জবাবে গতকাল বগুড়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভোট পুনর্গণনার আবেদন জমা দিয়ে হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, ওবায়দুল কাদের স্যার কথায় কথায় বলেন, খেলা হবে। শক্তিশালী দল হলে খেলা হবে। আমি তাকে জোর গলায় বলতে চাই, সবার সঙ্গে আপনাকে খেলতে হবে না। একটা নির্বাচনে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবো। আপনি দলীয় প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ান। সুষ্ঠু একটা নির্বাচন দেন। দ্যাখেন খেলা হয় কি না।