খুঁজুন
শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫, ২২ চৈত্র, ১৪৩১

আইটিপল্লী নিউজ-১ ডেমো নিউজ ওয়ান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
আইটিপল্লী নিউজ-১ ডেমো নিউজ  ওয়ান

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

কিন্তু রেসিং কোন ফল এলোনা। কারণ অভি এক্সিডেন্ট করলো। সন্ধ্যায় অয়ন্তিকা এলো সাথে এলো চাকর ভাবলারাম। জানতে পারলাম ভ্যাবলারাম আসলে অয়ন্তিকার বন্ধু রাজীব সিনহা পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। অভির মোবাইল থেকে, আমার ছাড়াও আরো ছয় সাতটি মেয়ের আপত্তিকর ভিডিও , ছবি ডিলিট করা হয়েছে। যাদেরকে ও নিয়মিত ব্লাকমেইল করতো। অভি হয়তো বাঁচবে না। বেঁচে গেলেও আইনের হাত থেকে ওর রক্ষা নেই, কারণ ওর ব্লেকমেইলের ভয়ে আত্মাহত্যা করছে অয়ন্তিকার বান্ধবি সোনালী। ওর চলে যেতেই বুবাই একটা গোলাপ ফুল নিয়ে আমাকে উপহার দিলো। আর বললো গোলাপটা তুলতে গিয়ে সে নাকি অনেক গুলো কাটার আঘাত পেয়েছেন। সেটা দেখালো। আমি জিজ্ঞেস করলাম “আপনি আমাকে ঠিক কতটা ভালোবাসেন”

ও বললো ” তোমার জন্য আমি জীবন দিতে পারি ,আবার নিতেও পারি।”

আমার চোখে জল এসে গেলো।

বরগুনায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আ’লীগ নেতা মনির গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
বরগুনায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আ’লীগ নেতা মনির গ্রেফতার

বরগুনা প্রতিনিধিঃ সারাদেশে চলমান ডেভিল হান্টের অভিযানে বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ মনিরুল ইসলাম মনিরকে গ্রেফতার করেছে বরগুনা থানা পুলিশ। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত অনুমান ৮টার দিকে সদর উপজেলার মনসাতলী গ্রামের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ জানায়, মনসাতলী গ্রামের একটি বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা চলমান রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনা সদর থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেছে।

বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম মনিরের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রয়েছে। সন্ধ্যার পরে পুলিশের একটি টিম মনসাতলী গ্রামের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ‘প্রত্যাবাসনের যোগ্য’ বলছে মিয়ানমার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ‘প্রত্যাবাসনের যোগ্য’ বলছে মিয়ানমার

বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে থাকা আট লাখ রোহিঙ্গার তালিকা থেকে আংশিক যাচাই বাছাইয়ে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ‘যোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করার কথা জানিয়েছে মিয়ানমার।

আরও ৭০ হাজার রোহিঙ্গার চূড়ান্ত যাচাই বাছাইয়ের অংশ হিসেবে ছবি ও নাম মিলিয়ে দেখার কাজ চলছে।

ওই তালিকার বাকি সাড়ে ৫ লাখ রোহিঙ্গার যাচাই বাছাই কাজও দ্রুত সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মিয়ানমার।

সরকারপ্রধানের দপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এক বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সঙ্কট ও সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলি সংক্রান্ত হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ খলিলুর রহমানকে এ তথ্য জানান মিয়ানমারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উ থান শিউ।

বাংলাদেশ ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ছয়টি ধাপে ওই আট লাখ রোহিঙ্গার তালিকা মিয়ানমারকে দিয়েছিল।

প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর বলছে, মিয়ানমার প্রথমবারের মত ‘প্রত্যাবাসনের যোগ্য’ রোহিঙ্গাদের এমন তালিকা দিল, যা দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

বৈঠকে হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ খলিলুর রহমান মিয়ানমারে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সমবেদনা জানান এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য বাংলাদেশ থেকে আরো মানবিক সহায়তা পাঠানোর প্রস্তুতির কথা বলেন।

বরগুনায় ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী দাবি করে ঈদ উপহার বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ
বরগুনায় ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী দাবি করে ঈদ উপহার বিতরণ

বরগুনা প্রতিনিধি :

বরগুনায় পলাতক স্বৈরাচারী সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী দাবী করে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এ জাতীয় রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টার পরেও প্রশাসনের পক্ষ হতে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ক্ষোভে ফুসে উঠছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সহ বরগুনার সাধারণ মানুষ। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা আছে বলে অভিযোগ করেছে জেলা বিএনপি।

২৯ মার্চ ২০২৫ তারিখ শনিবার অজ্ঞাত স্থানে বসে ঈদসামগ্রী বিতরণ করা হয়। বরগুনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো: আবু জাফর, জেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম মোল্লা, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি তৌহিদ মোল্লা, জনশক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও ২নং গৌরীচন্না ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তানভীর আহম্মেদ সিদ্দিকীর উপস্থিতিতে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিতরণ কালে জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি তৌহিদ মোল্লা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে গরিব, দুস্থ, অসহায় এবং আওয়ামীলীগের নিবেদিত কর্মীদের মাঝে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে জয় বাংলা অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষে আজকে ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে।

তার বক্তব্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের তৈরি হয়েছে। ওই বক্তব্যে তিনি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী বলেও দাবি করেন।

বরগুনা জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি ফজলুল হক মাস্টারের নেতৃত্বে শনিবার রাতে বরগুনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা বিএনপি। বিএনপির নেতৃবৃন্দের দাবি, প্রশাসনের সহায়তায় পতিত আওয়ামীলীগ বরগুনায় পলাতক শেখ হাসিনার নামে বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তারা। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা। শেখ হাসিনাকে এখনো প্রধানমন্ত্রী দাবি করে রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার দাবি তাদের। এই দেশদ্রোহীদের আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলে জানান তারা। গণহত্যাকারী পতিত আওয়ামীলীগের দোসরদের বরগুনায় কোন কর্মকান্ড পরিচালনা করতে দেয়া হবে না।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, এর আগে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে গেলে অন্য রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী থেকে সুপারিশ আসে। এমন অবস্থায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় তাদের। সূত্রটি দাবি করেন, প্রশাসনের স্বাধীন কর্মকাণ্ডে কোন সুপারিশ কিংবা আত্মীয়তার পরিচয় না দিলে এমন রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকান্ড পরিচালনার সুযোগ পেত না পতিত আওয়ামী লীগের দোসররা।

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী বরগুনা জেলা শাখার আমির মাও: মুহিব্বুল্লাহ হারুন বলেন, ফেসবুকে আমি বিষয়টি দেখেছি। প্রশাসনের কাছে দলের পক্ষ থেকে দাবী করছি, জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে।

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো: নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, আজকের ঘটনা আমি ফেসবুকে দেখেছি এবং তৎক্ষণিক পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাৎ করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেছি। কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নেননি। আজকের ঘটনা নতুন নয়, আওয়ামীলীগের দোসররা ধারাবাহিকভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য একের পর এক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। আমি মনে করি প্রশাসনের সহায়তায় এসব কাজ হচ্ছে। পুলিশ তাদের খুঁজে পায় না কিন্তু আমরা রাস্তায় বের হলেই তাদের দেখতে পাই। প্রশাসন না পারলে আমাদেরকে বলুক আমরা ধরে দিয়ে আসব।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ইউনুস আলী ফরাজী বলেন, জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) বরগুনা, মোঃ আব্দুল হালিম বলেন, প্রশাসনের উপর দায় চাপানো এটা রাজনৈতিক বক্তব্য। তারাই বলতে পারবেন এটা কেন বলেছেন। তবে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে আমরা পুলিশ প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। রাষ্ট্রের যেকোনো নিরাপত্তায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সদা প্রস্তুত।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা বরগুনা জেলা যুবলীগের জনশক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীর উপস্থিতিতে রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করলে কি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে বরগুনা জেলা প্রশাসক মোঃ শফিউল আলম জানান, বিষয়টি আপনার কাছ থেকে শুনেছি। ঈদের পর অফিস খুললে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।