রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন

আসামি আদালতে হাজির না করায় সগিরা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য হয়নি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ মার্চ, ২০২১

সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে বাদী সগিরার স্বামী আব্দুস সালাম চৌধুরীর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৩ এপ্রিল (মঙ্গলবার) দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (২৮ মার্চ) মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন কারাগার থেকে আসামিকে আদালতে হাজির না করায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল আলম পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী ও তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন, শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান ও মারুফ রেজা।

গত বছরের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামিরা শিক্ষিত এবং হোয়াইট কলারের অপরাধী হওয়ায় তারা জামিন পেলে বাংলাদেশ ত্যাগ করে চির পলাতক হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। সেজন্য আসামিদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখতে অভিযোগপত্রে জোর আবেদন জানান তিনি।

তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করেন, সগিরা মোর্শেদের পরিবারের সঙ্গে আসামি শাহীনের বিভেদ তৈরি হয়েছিল। এছাড়া শাশুড়ি সগিরাকে অনেক পছন্দ করতেন এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সগিরা-শাহীনের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। সম্বোধন করা নিয়েও পারিবারিক দ্বন্দ্ব ছিল। সগিরার কাজের মেয়েকে মারধর করেন আসামি ডা. হাসান আলী চৌধুরী। এ নিয়ে পারিবারিক বৈঠকে শাহীন সগিরাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা নিজেদের বাসায় বসে সগিরাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ডা. হাসান আলী তার চেম্বারে অপর আসামি মারুফ রেজার সঙ্গে ২৫ হাজার টাকায় হত্যার চুক্তি করেন। ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই মারুফ রেজা ও আনাস মাহমুদ সগিরাকে গুলি করে হত্যা করেন। ওই ঘটনায় সগিরার স্বামী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।


এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ