মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

ছোটবেলায় সবাইকে মাতিয়ে রাখা ছেলেটিই হানিফ সংকেত

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : রবিবার, ২৮ মার্চ, ২০২১

বরিশাল সদরের রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়নের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকা বসুরহাট। কাগজপত্রে বসুরহাট লেখা হলেও বৌশেরহাট নামে অধিক পরিচিত। বৌশেরহাট বাজার থেকে এক কিলোমিটার পশ্চিমে গেলে বড় একটি বাড়ি। গ্রামের মানুষ এটিকে হাওলাদার বাড়ি নামে চেনেন। ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর এই বাড়িতেই জন্ম নিয়েছেন বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গনের অনন্য তারকা হানিফ সংকেত।

এই নামের দ্বিতীয় পরিচয় নেই। হানিফ সংকেত নামটাই প্রতিষ্ঠান। এক জীবনে যা দেখিয়েছেন এবং করছেন তা অতুলনীয়। তার মতো বহুমুখী প্রতিভাধর আর কেউ নেই।

বিবিসির জরিপ বলছে, বিশ্বের ৭৫ শতাংশ বাঙালি ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠান দেখেন। এই অনুষ্ঠানের পরিচালক এবং উপস্থাপককে সবাই শ্রদ্ধা করেন এবং ভালোবাসেন।

অবাক করা তথ্য হলো হানিফ সংকেতের আসল নাম হানিফ হাওলাদার। হাওলাদার বাড়িতে জন্ম হলেও শৈশবে বেশিদিন থাকার সুযোগ হয়নি। গ্রামে লেখাপড়া করা হয়নি। লেখাপড়ার পাঠ চুকিয়েছেন চট্টগ্রাম ও ঢাকায়।

বরিশাল শহরে এলে যে কেউ বলে দেবে হানিফ হাওলাদারের বাড়ির ঠিকানা। বৌশেরহাট গেলে বড় একটি মসজিদ ও এতিমখানা দেখিয়ে স্থানীয়রা বলবে, এসব হানিফ হাওলাদারের মায়ের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত। নিজ দায়িত্বে হাওলাদার বাড়িতে আপনাকে পৌঁছে দেবে। কারণ হানিফ হাওলাদারকে নিয়ে গর্বিত এলাকার মানুষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হানিফ হাওলাদারের বাবা আব্দুল হাকিম হাওলাদার পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত ছিলেন। কর্মজীবনের অধিকাংশ সময় আব্দুল হাকিম ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও ফেনীতে ছিলেন। আব্দুল হাকিমের তিন ছেলে তিন মেয়ে। বড় ছেলে হারুন অর রশিদ ব্যবসায়ী। বয়সের ভারে এখন ন্যুব্জ। মেজ ছেলে হাবিবুর রহমান লিফট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মান বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা; ৬৪ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ছোট ছেলে একেএম হানিফ বা হানিফ হাওলাদার। তিন মেয়ের মধ্যে একজন হানিফ হাওলাদারের বড়; বাকিরা ছোট।

আব্দুল হাকিম হাওলাদার পেশার তাগিদে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বিভিন্ন জেলা, ভিন্ন পরিবেশ এবং নানা সংস্কৃতির মাঝে ছিলেন। ছুটিতে আব্দুল হাকিম গ্রামের বাড়িতে গেলে পারিবারিক মিলনমেলায় পরিণত হতো। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যেতেন তিনি।

এরই মধ্যে হানিফ হাওলাদারের মাঝে অসাধারণ প্রতিভা দেখেন আত্মীয়-স্বজনেরা। মজার গল্প, কাহিনি, শিক্ষামূলক ঘটনা, মজার মজার কৌতুক বলে সবাইকে মাতিয়ে রাখতেন তিনি।

‘তিনি বিভিন্ন পশু-পাখির ডাক হুবহু নকল করতে পারতেন। বিচিত্র অঙ্গভঙ্গি ও অভিনয় করে হাস্যরস এবং কৌতূহলের জন্ম দিতেন’ বলছিলেন হানিফ হাওলাদারের চাচাতো ভাইয়ের ছেলে আব্দুল গণি হাওলাদার।

৫৫ বছর বয়সী গণি হাওলাদার বলেন, সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার ক্ষমতা রয়েছে হানিফ হাওলাদারের। তার কাজকর্ম, দৃষ্টিভঙ্গি ছোটবেলা থেকেই ভিন্ন। আমরা তখন থেকেই বুঝতাম, একদিন বিখ্যাত হবেন হানিফ হাওলাদার।

গণি হাওলাদার আরও বলেন, হানিফ হাওলাদার চাঁদের হাট সংগঠনের সঙ্গে অনেকদিন কাজ করেছেন। হানিফ আমাদের গর্ব এবং বংশের বাতি।

তিনি বলেন, হানিফ হাওলাদারের বাবা আব্দুল হাকিম হাওলাদার ছিলেন সৎ ও পরোপকারী। পুলিশে চাকরি করে হয়তো অবৈধভাবে লাভবান হতে পারতেন। কিন্তু বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া করিয়ে মানুষ করেছেন। তবু অসততা তাকে স্পর্শ করেনি। আমার দেখা সেরা সৎ মানুষ ছিলেন তিনি।

হানিফ সংকেতের ভাই হাবিবুর রহমানের বাড়িতে পরিবার নিয়ে থাকেন বৌশেরহাট আল মদিনা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান।

মিজানুর রহমান বলেন, ছোটবেলায় মোবাইলে ইত্যাদি দেখেছি। অনেক ভালো লেগেছে। ইমামতির কাজের সুবাদে হাওলাদার বাড়িতে থাকতে এসে জানলাম; ইত্যাদির বিখ্যাত মানুষটির বাড়ি এটি। হাওলাদার বাড়ির সব মানুষ ভালো। আমি মুগ্ধ তাদের আচরণে। অত্যন্ত উঁচু মানসিকতার হলেই এমন ভালো মানুষ হওয়া যায়। ভালো মানুষকে আল্লাহ সম্মানিত করেন।

প্রকৌশল শাস্ত্রে লেখাপড়া শেষ করে বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন হানিফ হাওলাদার। সেখানে থিতু হতে চাননি। সংস্কৃতি চর্চার সূত্র ধরে পরিচয় হয় বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রখ্যাত উপস্থাপক ও সাংবাদিক ফজলে লোহানীর সঙ্গে। লোহানীর হাত ধরেই ​হানিফ হাওলাদার থেকে হানিফ সংকেতকে পায় বিনোদন জগত। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৫ সাল প্রচারিত ফজলে লোহানীর ‘যদি কিছু মনে না করেন’ জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে খ্যাতি অর্জন করেন হানিফ সংকেত।

১৯৮৫ সালে আকস্মিকভাবে মারা যান ফজলে লোহানী। এরপর বন্ধ হয়ে যায় ‘যদি কিছু মনে না করেন’ অনুষ্ঠান। এ অবস্থায় ১৯৮৯ সালে হানিফ সংকেতের রচনা, উপস্থাপনা ও পরিচালনায় নির্মাণ হয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি। বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচারের শুরু থেকে ইত্যাদি জনপ্রিয়তা পায়। সমাজের নানা দিক, অসংগতি হাস্যরসের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন তিনি।।

‘হানিফ সংকেতের রয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও অভিনব প্রতিভা’ উল্লেখ করে খেলার সাথী চাচাতো ভাই শাহজাহান হাওলাদার বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমরা বুঝতাম; হানিফ সাধারণ কেউ নন। তার কথাবার্তা, চালচলন ছিল অন্যরকম। হানিফ আমার তিন বছরের ছোট হলেও আমি তার খেলার সাথী ছিলাম। বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে মজার মানুষ ছিল হানিফ।

‘আব্দুল হাকিম চাচা ছুটিতে যখন বাড়িতে আসতেন; তখন আমরা একসঙ্গে খেলাধুলা করতাম। হাকিম চাচার সঙ্গে দেশের সব জায়গায় ঘুরেছে হানিফ। সে কারণে দেশের সব অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ভাষা জানে।’

শাহজাহান হাওলাদার আরও বলেন, ছোটবেলায় হানিফ যেমন ছিল এখনো তেমন। বিখ্যাত হলেও সাধারণ মানুষ রয়ে গেছে। প্রতি বছর বাড়িতে আসে। বাড়ির সবার সঙ্গে যোগাযোগ আছে তার। বাড়িতে এলে বেশিক্ষণ থাকতে পারে না; মানুষের ভিড় জমে। কাজের চাপেও অনেক সময় দ্রুত চলে যায়।

তিনি বলেন, গ্রামে পৈতৃক সূত্রে অনেক জায়গা-জমির মালিক হানিফ। কিন্তু সেসব জমি ভোগ করে না। বাড়িতে আমরা থাকি; আমরাই চাষাবাদ করে ফসল নিই। হানিফ এসবের খোঁজও নেয় না।

হানিফ হাওলাদার নাম বদলে কীভাবে হানিফ সংকেত হয়েছেন জানতে চাইলে শাহজাহান হাওলাদার বলেন, হানিফ ছোটবেলা থেকে অধিকাংশ প্রাণীর সংকেত নকল করতে পারত। পশুপাখির মতো হুবহু ডাকতে পারত। এটি তার সৃষ্টিশীলতা। যেহেতু ফজলে লোহানীর মাধ্যমে টেলিভিশনে নাম লিখিয়েছে; হয়তো হানিফের সৃষ্টিশীল পারদর্শিতা দেখে সংকেত নাম যুক্ত করে দিয়েছেন লোহানী। অথবা হানিফ নিজেও যুক্ত করেছে। এর সঠিক তথ্য হানিফ-ই জানে।

চাচা আব্দুল হাকিমকে বরিশাল আঞ্জুমান-ই-হেমায়েত মুসলিম গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে জানিয়ে শাহজাহান হাওলাদার বলেন, এই বংশের মানুষ হিসেবে আমি গর্বিত। হানিফ সংকেতের মতো একজন ভালো মানুষের খেলার সাথী হতে পেরে আমি আপ্লুত।

হানিফ সংকেত ঢাকায় বসবাস করেন। তার ​স্ত্রীর নাম সানজিদা। তাদের ঘরে দুই সন্তান। বড় ছেলে ফাগুন ইতালিতে লেখাপড়া করেন। মেয়ে বর্ণনা মা-বাবার সঙ্গে দেশে থাকেন।

প্রতি তিন মাসে ইত্যাদির একটি নতুন পর্ব রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর এবং প্রতি মাসের প্রথম রোববার রাত ১০টার পর একটি সংকলিত পর্ব বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়। এছাড়া প্রতি বছর ঈদুল ফিতরের পরদিন রাত ১০টার সংবাদের পর ইত্যাদি প্রচারিত হয়।

ইত্যাদির বিদেশি ছবির বাংলা ডাবিং করতেন হানিফ সংকেত। বাংলা ফানি ডাবিংগুলো তারই করা। বিষয়ভিত্তিক কৌতুক, স্যাটায়ার (যেমন কাশেম টিভি রিপোর্ট), মেসেজ তো আছেই। নানা-নাতির জনপ্রিয় পর্ব কিংবা নানি-নাতির পর্ব দিয়ে আলাদা জুটি তৈরি করেছেন। বিভিন্ন দেশ ঘুরে দর্শকদের পরিচিতি দিতেন; বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তারকাদের সাক্ষাৎকার নিতেন। যেমন- শাহরুখ খানের (২০০৪) সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। বিদেশি পর্যটকদের বাংলা ভাষায় পারফর্ম করাতেন।

তিনি একমাত্র উপস্থাপক যিনি কোনো জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে নিয়মিত দর্শকদের গাছ উপহার দিয়েছেন। তার ভাষায় গাছ হলো ‘পরিবেশবন্ধু’। তিনিই একমাত্র উপস্থাপক যিনি ইত্যাদির পাশাপাশি ‘মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার’ অনুষ্ঠানে দর্শক চাহিদায় সেরা উপস্থাপক। উপস্থাপনা যে একটা শিল্প তিনি প্রমাণ করেছেন। দেশে প্রথম ভেজালবিরোধী আন্দোলন ইত্যাদির মাধ্যমে শুরু হয়। টিভি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের প্রযোজনা শিল্পে তিনি সেরা পথপ্রদর্শক। ১৯৯৮ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত শ্রেষ্ঠ টিভি অনুষ্ঠান হিসেবে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার পায় ‘ইত্যাদি’। তার প্রযোজনায় অন্যান্য ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান যেমন ‘ঝলক, ঈদ আনন্দমেলা, কথার কথা’ প্রচার হতো।

তবে হানিফ সংকেতের পরিচয় ইত্যাদিতে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি একাধারে নাট্যকার, অভিনেতা, নাট্যনির্মাতা, কণ্ঠশিল্পী, লেখক, উপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার।

শ্রদ্ধেয় রাজধানী, নিয়মিত অনিয়ম, কষ্ট, চৌচাপটে, এপিঠ ওপিঠ, ধন্যবাদ, অকাণ্ড কাণ্ড, খবরে প্রকাশ, ফুলের মতো পবিত্র, প্রতি ও ইতি, আটখানার পাটখানা, বিনীত নিবেদন, হামানদিস্তা, রঙ্গ বিরঙ্গ, কিংকর্তব্যবিমূঢ়, সমকালীন গল্প, গণ্যমান্য সামান্য তার প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য বই।

হানিফ সংকেত পরিচালিত আলোচিত নাটকগুলো হলো- আয় ফিরে তোর প্রাণের বারান্দায়, দুর্ঘটনা, তোষামোদে খোশ আমোদে, বিপরীতে হিত, শেষে এসে অবশেষে, অন্তে বসন্ত, ফিরে আসে ফিরে আসে, পুত্রদায়, তথাবৃত যথাকার, কিংকর্তব্য, ভূত অদ্ভুত, শোধ বোধ, শূন্যস্থান পূর্ণ ও কুসুম কুসুম ভালোবাসা- হানিফ সংকেত পরিচালিত আলোচিত নাটক।

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি গানও গেয়েছেন হানিফ সংকেত। ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘আগমন’ ছবিতে প্রথমবার খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন। কমন ডায়ালগ ছিল, ‘ঘটনা যেন প্যাঁচ না খায়।’

‘চাঁপা ডাঙ্গার বউ’ ছবিতে হানিফ সংকেত বাপ্পারাজের গ্রাম্য শত্রু হয়ে দুর্দান্ত অভিনয় করেন। তার চরিত্রের নাম ছিল ঘোটন ঘোষ। বাপ্পারাজের বিরুদ্ধে কথা বলা এবং ষড়ডন্ত্র করাই তার কাজ ছিল।

‘ঢাকা-৮৬’ ছবিতেও বাপ্পারাজের বন্ধু ও সহপাঠী চরিত্রে ‘পাগল হতে আর দেরি নাই’ শিরোনামের একটা গানে তাকে দেখা যায়। এ জে মিন্টু পরিচালিত ‘প্রথম প্রেম’ সিনেমায় ‘তু তু তু তু তু তা রা মর্জিনার বাপ মার্কামারা’ জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দেন। প্রায় দুই দশক ধরে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে গানটি। প্রয়াত কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের নাটক কুসুমে অভিনয় করেছেন হানিফ সংকেত। এছাড়া তার লিখিত রম্য সাহিত্য ব্যাপক জনপ্রিয়।

সামাজিক কার্যক্রমের জন্য ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১০ সালে একুশে পদক পুরস্কার পান হানিফ সংকেত। পরিবেশ শিক্ষা ও প্রচারের জন্য তাকে ২০১৪ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক দেওয়া হয়।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আবুল হাসান স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭৫), অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার (১৯৮২), বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮৭), অশ্বিনীকুমার স্বর্ণপদক (২০০১), জীবনানন্দ দাশ পদক, অতীশ দীপঙ্কর স্বর্ণপদকসহ বহু পদক পেয়েছেন হানিফ সংকেত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category