শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন
আক্রান্ত

১,২২৬,২৫৩

সুস্থ

১,০৫০,২২০

মৃত্যু

২০,২৫৫

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

রিমান্ডে মুখ খুলতে শুরু করেছেন মামুনুল হক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১

প্রথম বিয়ে ছাড়া দুই জান্নাতকেই কন্ট্রাকচ্যুয়াল (চুক্তিভিত্তিক) বিয়ে করেছিলেন হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা দিতেই দুই ডিভোর্সি নারীকে বিয়ে করেছিলেন বলে তদন্ত সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি করেছেন মামুনুল। বলেছেন, রয়েল রিসোর্ট কান্ড শুরুতেই স্বীকার করলে প্রথম স্ত্রী আমেনা তৈয়ব বড় ধরনের কান্ড ঘটিয়ে ফেলতেন বলে তার ধারণা ছিল। এ কারণে তৎক্ষণাৎ স্বীকার করেননি। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের প্রথম দিনই অন্য গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্যের সঙ্গে এসব কথা বলেছেন মামুনুল। তবে কথিত দুই বিয়ের সাক্ষীদের শিগগিরই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকবে পুলিশ। একই সঙ্গে রিমান্ডে তাকে সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়েও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গেছে।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) আদালতের নির্দেশে মামুনুল হককে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। ডিবি কার্যালয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে পুলিশের তেজগাঁ বিভাগের উপ-কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, মামুনুলকে নিরাপত্তার স্বার্থেই কেবল গোয়েন্দা কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। সেখানে আমার অফিসাররা গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। মঙ্গলবার (আজ) আমি নিজেই জিজ্ঞাসাবাদে থাকব।

তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত মামুনুল প্রথম বিয়ে ছাড়া বাকি দুই বিয়ের স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। এমনকি বিয়ের স্বাক্ষীদের নাম প্রকাশের ব্যাপারেও গড়িমসি করছেন। দ্বিতীয় জান্নাতের ভাই শাহজাহানের জিডি নিয়ে আমরা কাজ করছি।

রিমান্ডের প্রথম দিনে গোয়েন্দাদের নানা তথ্য দিয়েছেন মামুনুল। তার ভাষ্য- যে দুটি বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ওই দুই নারীর সঙ্গে অনেক দিন ধরে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করে আসছেন তিনি। তবে বিয়ে-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র তার কাছে নেই। কাবিনও নেই। ওই দুই নারীর ডিভোর্স হওয়ায় মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই তাদের দিকে এগিয়ে যান তিনি। একজনকে মোহাম্মদপুরের একটি মাদ্রাসায় চাকরিও দিয়েছেন।

কাগজপত্র ও কাবিন না থাকা সত্ত্বেও বিয়ে কীভাবে বৈধ হলো- এমন প্রশ্নের উত্তরে অসংলগ্ন কথা বলেছেন মামুনুল হক। এ দিকে গতকাল পর্যন্ত তার কোনো স্বজন, সহকর্মী বা অনুরাগী তার খোঁজও নেননি। তদন্তের সঙ্গে যুক্ত একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।

মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গত রবিবার দুপুরে মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ। মারধর, হুমকি, ধর্মীয় কাজে ইচ্ছাকৃত গোলযোগ সৃষ্টি, চুরির অভিযোগে মোহাম্মদপুর থানায় গত বছর দায়ের করা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাজেদুল হক গতকাল মামুনুল হককে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) দেবদাস চন্দ্র অধিকারী রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের শুরুতেই মামুনুল হকের কাছে তার কথিত বিয়ে এবং হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গ করার বিষয় জানতে চাওয়া হয়। বিয়ের ব্যাপারে তিনি নিজের মতো ব্যাখ্যা দেন। তবে এটা স্বীকার করেছেন, এসব বিয়ের কোনো আইনগত প্রমাণ তার কাছে নেই। অন্য প্রশ্নে চুপ থাকেন তিনি।

মামুনুলকে জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত অপর একজন কর্মকর্তা জানান, তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, হেফাজতের অধিকাংশ কর্মসূচি ঘিরে কেন তাণ্ডব ও নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। ইসলাম তো এসব সমর্থন করে না। সংগঠনটির নাম যখন হেফাজতে ইসলাম তখন কেন এর নেতাকর্মীরা এসব বর্বরতা এড়াতে আরো সতর্ক থাকেন না। এ প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, ‘আমি যেহেতু নেতা, এর দায় আমারও রয়েছে। আমাকে এর দায় নিতে হবে। তবে অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠনও তো সংঘাতে জড়ায়।’ তবে অন্যান্য দলের খারাপ দৃষ্টান্ত হেফাজত কেন অনুকরণ করবে- এমন প্রশ্নে চুপ ছিলেন তিনি।

২০১৩ সালে হেফাজতের কর্মসূচিতে জ্বালাও-পোড়াও, পবিত্র কোরআন শরিফে আগুন দেওয়া, বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করে বক্তব্য দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে এর উত্তরে স্পষ্ট কোনো জবাব দেননি মামুনুল হক। সংশ্নিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, এরই মধ্যে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। ভেতরে-বাইরে তিনি দ্বৈত চরিত্রের অধিকারী- এটি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পর থেকে তার মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কথিত বিয়ের কাহিনি ফাঁস হওয়ার পর থেকে ঘরে-বাইরে চাপে আছেন তিনি। হেফাজতের ভেতরেও একটি অংশ তার কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ। নারায়ণগঞ্জকাণ্ডের পর প্রথম স্ত্রীসহ নিজের পরিবারের সদস্যদের কারও কারও কাছে বিরাগভাজন হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ থেকে ফিরে বাসায়ও যাননি তিনি।

পুলিশের অপর একটি সূত্র জানায়, মোহাম্মদপুরের যে মামলায় মামুনুলকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, সে-সংক্রান্ত ভিডিও ফুটেজ গতকাল জব্দ করেছেন তারা। মূলত তাবলিগ জামাতকে কেন্দ্র করে জুবায়ের ও মোহাম্মদ সাদ কান্ধালভি গ্রুপের মধ্যে ওই মারামারি এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। মামুনুল ছিলেন জুবায়েরপন্থী।

সংশ্নিষ্ট এক কর্মকর্তা আরো জানান, মামুনুলের কথিত ছোট স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস লিপি। তবে জান্নাত আরা ঝর্ণাকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করছেন তিনি। তার প্রথম স্ত্রীর নাম আমেনা তৈয়বা। কথিত মেজ ও ছোট স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ের কোনো কাবিন হয়নি বলে পুলিশকে জানান মামুনুল। কাবিন হলো বিয়ের আইনি দলিল। মুসলিম পারিবারিক আইনে বিয়ের নিবন্ধন একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে কাজ করে। নিবন্ধন ছাড়া স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক প্রমাণ করা কঠিন। বিয়ের নিবন্ধন না থাকা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অপরাধে দু’বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও তিন হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, মামুনুল অনেক প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। হেফাজতের অর্থনৈতিক প্রবাহ কোথা থেকে আসত এই প্রশ্নটি তিনি কৌশলে এড়ানোর চেষ্টা করছেন। তবে এটি হয়তো তিনি পারবেন না। মাত্র তো রিমান্ড পেলাম। দেখা যাক। তবে দেশব্যাপী বেপরোয়া এই তান্ডবের নেপথ্যে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের উসকানি ছিল, যার মধ্যে মামুনুল হক ছিলেন অন্যতম। যদিও এসব ঘটনায় একাধিক মামলা করা হলেও মামলায় হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের কারও নাম ছিল না।


এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

পুরাতন সকল সংবাদ

SatSunMonTueWedThuFri
     12
3456789
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031