শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
আক্রান্ত

১,২২৬,২৫৩

সুস্থ

১,০৫০,২২০

মৃত্যু

২০,২৫৫

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

বিশ্বজুড়ে বাড়ছে সংক্রমণ, সপ্তাহে ৫৫ হাজার মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১
করোনার ডেলটা ধরনের দাপটে বিশ্বের অনেক দেশে আবার সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছেছবি: রয়টার্স

গত এক সপ্তাহে সারা বিশ্বে প্রায় ৩০ লাখ মানুষের নতুন করে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন ৫৫ হাজারের বেশি মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর আগের এক সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে শনাক্ত প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে মৃত্যুর হার বেড়েছে প্রায় ৩ শতাংশ।

গতকাল বুধবার জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহামারিসংক্রান্ত সাপ্তাহিক বুলেটিনে বলা হয়, ৫ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত সারা বিশ্বে ২৯ লাখ ৯৬ হাজার ৪৬৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়, ওই সময় ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫৫ হাজার ৮৩০ জন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ১১ জুলাই পর্যন্ত বিশ্বে ১৮ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছেন ৪০ লাখ ২৭ হাজার ৮৬১ জন।

গত সপ্তাহে কোভিড-১৯ শনাক্তের দিক থেকে শীর্ষ দেশের তালিকায় যথাক্রমে রয়েছে ব্রাজিল (৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩০ জন), ভারত (২ লাখ ৯১ হাজার ৭৮৯ জন), ইন্দোনেশিয়া (২ লাখ ৪৩ হাজার ১১৯ জন), যুক্তরাজ্য (২ লাখ ১০ হাজার ২৭৭ জন) এবং কলম্বিয়া (১ লাখ ৭৪ হাজার ৩২০ জন)। এর মধ্যে ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জগুলোতে শনাক্তের হার খুবই বেশি। এখানে প্রতি ১ লাখ নাগরিকের মধ্যে ২ হাজার ৪৯৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যুহার নিম্নগামী, এই সময়ে দেশটিতে শনাক্তের হার ৩ শতাংশ কমেছে। অপরদিকে পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে এই হার বেড়েছে ২৫ শতাংশ, ইউরোপে ২০ শতাংশ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ১৬ শতাংশ সংক্রমণ বেড়েছে। পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শনাক্ত বেড়েছে ১৫ শতাংশ এবং আফ্রিকায় বেড়েছে প্রায় ৫ শতাংশ।

একই সময়ে আফ্রিকায় মৃত্যুহার প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বেড়েছে ২৬ শতাংশ। তবে আমেরিকায় মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য হারে কমছে, যা শতকরা হিসাবে ১১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বুলেটিন অনুযায়ী, গত বছরের অক্টোবরে ভারতে শনাক্ত হওয়া দ্রুত সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন ডেলটা ধরন বিশ্বের ১১১টি দেশে চিহ্নিত হয়েছে।

এদিকে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের ডেলটা ধরন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই টিকার মিশ্র ডোজ কিংবা বিভিন্ন কোম্পানির উৎপাদিত টিকা অদলবদল না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন। এ ধরনের সিদ্ধান্ত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত বলে জানান তিনি।

গত সোমবার এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী বলেন, এটা কিছুটা বিপজ্জনক প্রবণতা। নাগরিকেরা যদি টিকার দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ডোজ হিসেবে কোন টিকা কখন নেবেন সেই সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে দেশে দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কৌশলগত পরামর্শক দল গত জুন মাসে জানায়, করোনার টিকার মিশ্র ডোজ নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে। এতে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা এবং নিরাপত্তার বিষয়টিও মূল্যায়ন করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ নেওয়ার পর দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে ফাইজারের টিকা নেওয়া যাবে, যদি দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পাওয়া না যায়। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও ফাইজারের টিকার মিশ্রকরণ নিয়ে বর্তমানে একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। সম্প্রতি এই ট্রায়ালে মডার্না ও নোভাভ্যাক্সকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

পুরাতন সকল সংবাদ

SatSunMonTueWedThuFri
     12
3456789
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031