খুঁজুন
শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ২১ চৈত্র, ১৪৩১

কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কুপিয়ে জখমের অভিযোগ বৃদ্ধের বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কুপিয়ে জখমের অভিযোগ বৃদ্ধের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরগুনা:

বরগুনায় কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়া এক তরুণী ও তার মা এবং ভাইকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত বৃদ্ধের নাম ইউনুস প্যাদা (৫২), তিনি বরগুনা সদর উপজেলায় ঢলুয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের লতা বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী তরুনীর নাম মোসা: তানিয়া (২৫), তিনি একই এলাকার মৃত পনু মোল্লার মেয়ে। এঘটনায় বরগুনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুনী তানিয়ার বাড়ি ও ইউনুস প্যাদার বাড়ি পাশাপাশি। অভিযুক্ত ইউনুস অনেক আগে থেকেই তানিয়াকে নানানভাবে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। এরপর গত ২২ মার্চ দুপুরে ইউনুসের বাড়ির সামনে থেকে যাওয়ার সময় তানিয়াকে দেখে অশালীন কথা বলতে থাকে ইউনুস ও তার স্ত্রী। এসময় তানিয়া অভিযুক্তকে বিষয়টা জিজ্ঞেস করলে এক পর্যায়ে বাকবিতন্ডা হয়। এ পর্যায়ে তানিয়ার ছেলে জুনায়েদ হোসেনকে (৪) গাছের সাথে ধাক্কা মেরে আহত করে ইউনুস ও তার স্ত্রী সোনাভানু।

এসময় তানিয়ার মা হেলেনা বেগম, ভাই সাদ্দাম মোল্লা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাদেরকে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী তরুনী তানিয়া বলেন, ইউনুস প্যাদা আমাকে বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। আমি রাজি না হওয়ায় আমাকে নিয়ে তিনি নানান খারাপ কথা বলাবলি করতো এলাকায়। ওইদিন আমাকে আমার মা ও ভাইকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে ইউনুস ও তার স্ত্রী। আমার ও মায়ের কাপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানি করে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

এবিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বরগুনায় ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী দাবি করে ঈদ উপহার বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ
বরগুনায় ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী দাবি করে ঈদ উপহার বিতরণ

বরগুনা প্রতিনিধি :

বরগুনায় পলাতক স্বৈরাচারী সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী দাবী করে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এ জাতীয় রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টার পরেও প্রশাসনের পক্ষ হতে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ক্ষোভে ফুসে উঠছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সহ বরগুনার সাধারণ মানুষ। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা আছে বলে অভিযোগ করেছে জেলা বিএনপি।

২৯ মার্চ ২০২৫ তারিখ শনিবার অজ্ঞাত স্থানে বসে ঈদসামগ্রী বিতরণ করা হয়। বরগুনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো: আবু জাফর, জেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম মোল্লা, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি তৌহিদ মোল্লা, জনশক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও ২নং গৌরীচন্না ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তানভীর আহম্মেদ সিদ্দিকীর উপস্থিতিতে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিতরণ কালে জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি তৌহিদ মোল্লা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে গরিব, দুস্থ, অসহায় এবং আওয়ামীলীগের নিবেদিত কর্মীদের মাঝে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে জয় বাংলা অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষে আজকে ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে।

তার বক্তব্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের তৈরি হয়েছে। ওই বক্তব্যে তিনি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী বলেও দাবি করেন।

বরগুনা জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি ফজলুল হক মাস্টারের নেতৃত্বে শনিবার রাতে বরগুনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা বিএনপি। বিএনপির নেতৃবৃন্দের দাবি, প্রশাসনের সহায়তায় পতিত আওয়ামীলীগ বরগুনায় পলাতক শেখ হাসিনার নামে বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তারা। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা। শেখ হাসিনাকে এখনো প্রধানমন্ত্রী দাবি করে রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার দাবি তাদের। এই দেশদ্রোহীদের আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলে জানান তারা। গণহত্যাকারী পতিত আওয়ামীলীগের দোসরদের বরগুনায় কোন কর্মকান্ড পরিচালনা করতে দেয়া হবে না।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, এর আগে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে গেলে অন্য রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী থেকে সুপারিশ আসে। এমন অবস্থায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় তাদের। সূত্রটি দাবি করেন, প্রশাসনের স্বাধীন কর্মকাণ্ডে কোন সুপারিশ কিংবা আত্মীয়তার পরিচয় না দিলে এমন রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকান্ড পরিচালনার সুযোগ পেত না পতিত আওয়ামী লীগের দোসররা।

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী বরগুনা জেলা শাখার আমির মাও: মুহিব্বুল্লাহ হারুন বলেন, ফেসবুকে আমি বিষয়টি দেখেছি। প্রশাসনের কাছে দলের পক্ষ থেকে দাবী করছি, জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে।

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো: নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, আজকের ঘটনা আমি ফেসবুকে দেখেছি এবং তৎক্ষণিক পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাৎ করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেছি। কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নেননি। আজকের ঘটনা নতুন নয়, আওয়ামীলীগের দোসররা ধারাবাহিকভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য একের পর এক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। আমি মনে করি প্রশাসনের সহায়তায় এসব কাজ হচ্ছে। পুলিশ তাদের খুঁজে পায় না কিন্তু আমরা রাস্তায় বের হলেই তাদের দেখতে পাই। প্রশাসন না পারলে আমাদেরকে বলুক আমরা ধরে দিয়ে আসব।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ইউনুস আলী ফরাজী বলেন, জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) বরগুনা, মোঃ আব্দুল হালিম বলেন, প্রশাসনের উপর দায় চাপানো এটা রাজনৈতিক বক্তব্য। তারাই বলতে পারবেন এটা কেন বলেছেন। তবে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে আমরা পুলিশ প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। রাষ্ট্রের যেকোনো নিরাপত্তায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সদা প্রস্তুত।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা বরগুনা জেলা যুবলীগের জনশক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীর উপস্থিতিতে রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করলে কি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে বরগুনা জেলা প্রশাসক মোঃ শফিউল আলম জানান, বিষয়টি আপনার কাছ থেকে শুনেছি। ঈদের পর অফিস খুললে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বরগুনায় আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
বরগুনায় আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

 

এ.কে.এম শাহাদাৎ হোসেন শাওন, বরগুনা:

বরগুনায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ভাতা ভোগী সদস্যদের ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার বিতরন করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকাল১০ টা থেকে বরগুনা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ে এ উপহার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহা পরিচালকের পক্ষ থেকে সদর উপজেলায় দায়িত্ব পালন করা ভাতাভোগী ৬৪ জনের মধ্যে নানান রকম খাদ্য উপকরণ উপহার হিসেবে দেয়া হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের কমান্ড্যান্ট উজ্জ্বল কুমার পাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিআই জাহিদ হাসান।

বরগুনা সদর উপজেলার ৩নং ফুলঝুরি ইউনিয়ন দলপতি এ.কে.এম শাহাদাৎ হোসেন বলেন, আজকে আমাদের আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে আমরা ভীষণ খুশি। মাননীয় ডিজি স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের কমান্ড্যান্ট উজ্জ্বল কুমার পাল বলেন, আসন্ন ইদুল ফিতর উপলক্ষে প্রথমবারের মত সদর উপজেলার ৬৪ জন ভাতাভোগী আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মাঝে মহা পরিচালক মহোদয়ের পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করতে পেরেছি। এতে আমরা ভীষন খুশি। আমাদের সদস্য প্রতিনিয়ত দেশের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে। ইদ সামগ্রী পেয়ে তাদের ঈদ ভালো কাটবে এমনটাই প্রত্যাশা করি।

টিসিবির পন্য গ্রাহকের মধ্যে বিক্রি না করে ফেরত আনার অভিযোগ ডিলারের বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
টিসিবির পন্য গ্রাহকের মধ্যে বিক্রি না করে ফেরত আনার অভিযোগ ডিলারের বিরুদ্ধে

সাইফুল রাফিন, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বরগুনায় স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের (টিসিবি) পন্য বিক্রি না করে ফেরত নিয়ে আসায় বরগুনার এক ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত ডিলারের নাম সাগর হোসেন। তিনি মেসার্স রহমান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনা সদর উপজেলায় ১২০৫৮ জন ব্যাক্তিকে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের (টিসিবি) আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্য থেকে গতকাল ২৫ মার্চ সদর উপজেলার ২নং গৌরিচন্না ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের ৭৪৭ জন কার্ডধারীকে প্যাকেজ বিতরন করার অনুমতি পান মেসার্স রহমান ট্রেডার্স। প্রতি কার্ডের বিপরীতে ৬০০ টাকার বিনিময়ে ৫ কেজি চাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি মশুর ডাল, ১ কেজি ছোলা বুট ও ১ কেজি চিনি দেয়া হয়। একজন ট্যাগ অফিসার ও জন প্রতিনিধির উপস্থিতিতে প্যাকেজ বিক্রয় করার বিধান রয়েছে। স্মার্ট কার্ডধারীরা যদি সবাই উপস্থিত না হন তাহলে ট্যাগ অফিসারের মাধ্যমে মাষ্টাররোল তৈরী করে স্থানীয়দের মাঝে এনআইডি কার্ড নিয়ে পন্য বিক্রয় করতে হবে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঐদিন সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত ট্যাগ অফিসারের অনুপস্থিতিতে একই ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের পূর্ব ধুপতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বসে পন্য বিক্রয় করেন মেসার্স রহমান ট্রেডার্স। কিন্তু বিতরণের শেষে দেখাযায় স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীদের পাশাপাশি স্থানীয়দের মাঝে এনআইডি কার্ডের বিপরীতে অল্পকিছু প্যাকেজ বিক্রয় করেন ডিলার। বাকি প্যাকেজের মালামাল নিয়ে তারা চলে যান।

স্থানীয়রা জানান, ট্যাগ অফিসারকে আমরা সারাদিনে একবারও দেখি নাই। ডিলার কিছু মাল বিক্রি করে বাকি প্রায় ১৫০ প্যাকেজের মত মালামাল নিয়ে গেছেন। আমাদের এখানকার অনেক লোককে আইডি কার্ড দিয়ে পন্য দেননি তারা। আমাদের পন্য আমাদের না দিয়ে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করার আশায় নিয়ে চলে গেছেন ডিলার। এসব অসাধু ডিলারদের কারনে গরীব অসহায় মানুষ সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যাবস্থা করা হোক।

এবিষয়ে মেসার্স রহমান ট্রেডার্স এর ডিলার সাগর হোসেন বলেন, যারা কার্ড নিয়ে আসছে তাদেরকে মাল দিয়েছি এছাড়াও এনআইডি কার্ড দিয়ে ১৫-২০ জনকে দিয়েছি। এখন প্রায় ৭০ টির মত মালামাল আছে তাই নিয়ে যাচ্ছি। আপনারা (সাংবাদিক) কিছু না বললে কিছুই হবেনা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের অফিস সহকারী মামুন মিয়া বলেন, এবিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। পন্য ফেরত আনার বিষয়ে ডিলার আমাদের কিছুই জানায়নি।

উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও ট্যাগ অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, মেসার্স রহমান ট্রেডার্স আজকে টিসিবির পন্য বিক্রয় করেছেন সে বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। তারা আমাকে এ বিষয়ে অবহিত করেননি ।