ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অসহায় রোজাদারদের ইফতার দিলেন বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ

সাইফুল ইসলাম (রাফিন) বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ বাহিরের স্বাধীনতা গিয়াছে বলিয়া অন্তরের স্বাধীনতাকেও আমরা যেনো বিসর্জণ না দিই” জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এ মহান বাণি যেনো সত্যিই এক অপ্রতুল মাড়ানো।

চাকুরির খাতিরে নিজের স্বাধীনতাকে জলাঞ্জলি দিলেও সামাজিক দায়িত্ববোধ যেনো সর্বদাই নাড়া দেয়। এমন অসংখ্য মানুষ রয়েছে, যারা সেই দায়িত্বের জায়গায় অটল থাকেন। তেমনি বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ কে,এম, তারিকুল ইসলাম একজন। যিনি শুধু পশু-পাখিই নন; মনুষ্বত্যের মানষিকতার চূড়ায়ও স্থান করে নিয়েছেন।

করোনার এ ক্রান্তিলগ্নে ও লকডাউনের দ্বিতীয় বারের মতো চারিদিক আবারও নিস্তব্দ ও নিঃশব্দে পরিপূর্ণ। তার মাঝে চলে এলো সিয়াম সাধনার মাস রমজান। রোজাদার ও অভুক্ত অনেক মানুষ আমাদের চারপাশে রয়েছেন। আর তাদেরই খুঁজে খুঁজে নিজ উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী তুলে দিয়েছেন ওই অসহায় মানুষগুলোর হাতে। তারিকুল ইসলাম সত্যিই যেনো এক ভিন্নধর্মী মানুষ। যে মনুষ্যত্বের তাড়নায় নিজের অর্থায়নে এভাবেই সামাজিক কাজে হঠাৎ করেই নেমে যান। আরেক মানবিক সহকর্মী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোঃ শহিদুল ইসলাম খানকে সাথে নিয়েই ইফতার তুলে দিয়েছেন।

শতাধিক অসহায় রোজাদারদের মধ্যে ছিলেন, রিক্সাচালক, প্রতিবন্দি, ভিক্ষুক, দিনমজুর। যারা শুধু পানি দিয়েই ইফতার করেন। এটাই যেনো তাদের প্রতিদিনের সুস্বাদু খাবার। এমন মানবিক ও মনুষ্যত্ব থাকুক সবার হৃদয় জুড়ে। হাসি ফুটুক এমন হাজারও অসহায় মানুষের মুখে।

বিষয় :
প্রতিবেদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

অনলাইন ডেস্ক

জনপ্রিয়

অসহায় রোজাদারদের ইফতার দিলেন বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ

প্রকাশিত: ১০:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২১

সাইফুল ইসলাম (রাফিন) বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ বাহিরের স্বাধীনতা গিয়াছে বলিয়া অন্তরের স্বাধীনতাকেও আমরা যেনো বিসর্জণ না দিই” জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এ মহান বাণি যেনো সত্যিই এক অপ্রতুল মাড়ানো।

চাকুরির খাতিরে নিজের স্বাধীনতাকে জলাঞ্জলি দিলেও সামাজিক দায়িত্ববোধ যেনো সর্বদাই নাড়া দেয়। এমন অসংখ্য মানুষ রয়েছে, যারা সেই দায়িত্বের জায়গায় অটল থাকেন। তেমনি বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ কে,এম, তারিকুল ইসলাম একজন। যিনি শুধু পশু-পাখিই নন; মনুষ্বত্যের মানষিকতার চূড়ায়ও স্থান করে নিয়েছেন।

করোনার এ ক্রান্তিলগ্নে ও লকডাউনের দ্বিতীয় বারের মতো চারিদিক আবারও নিস্তব্দ ও নিঃশব্দে পরিপূর্ণ। তার মাঝে চলে এলো সিয়াম সাধনার মাস রমজান। রোজাদার ও অভুক্ত অনেক মানুষ আমাদের চারপাশে রয়েছেন। আর তাদেরই খুঁজে খুঁজে নিজ উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী তুলে দিয়েছেন ওই অসহায় মানুষগুলোর হাতে। তারিকুল ইসলাম সত্যিই যেনো এক ভিন্নধর্মী মানুষ। যে মনুষ্যত্বের তাড়নায় নিজের অর্থায়নে এভাবেই সামাজিক কাজে হঠাৎ করেই নেমে যান। আরেক মানবিক সহকর্মী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোঃ শহিদুল ইসলাম খানকে সাথে নিয়েই ইফতার তুলে দিয়েছেন।

শতাধিক অসহায় রোজাদারদের মধ্যে ছিলেন, রিক্সাচালক, প্রতিবন্দি, ভিক্ষুক, দিনমজুর। যারা শুধু পানি দিয়েই ইফতার করেন। এটাই যেনো তাদের প্রতিদিনের সুস্বাদু খাবার। এমন মানবিক ও মনুষ্যত্ব থাকুক সবার হৃদয় জুড়ে। হাসি ফুটুক এমন হাজারও অসহায় মানুষের মুখে।